নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: ট্রাভেল গ্রুপের মাধ্যমে বিদেশ ভ্রমণের টোপে পা দিয়ে সর্বস্বান্ত হল ছ’টি পরিবার। কেউ সপরিবারে ইউরোপ ট্যুর বুকিং করেছিলেন। কেউ আবার লন্ডন বেড়ানোর জন্য পৃথক বুকিং করেছিলেন। কিন্তু, বেড়ানোর সময় এগিয়ে এলেও আসেনি ভিসা! কিছু গণ্ডগোল হয়েছে, আঁচ করে তাঁরা টাকা ফেরত চান। কিন্তু, টাকা ফেরত না মেলায় তাঁরা বুঝতে পারেন প্রতারিত হয়েছেন। তারপরই ওই পরিবারের সদস্যরা পুলিসের দ্বারস্থ হন। অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ট্রাভেল গ্রুপের এক পান্ডাকে গ্রেপ্তার করল সল্টলেকের ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার পুলিস। তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, সে এই চক্রের মূল পান্ডা। ধৃতের নাম বাশারুল ইসলাম মুন্না। এই চক্রে আর কে বা কারা যুক্ত রয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ট্রাভেল গ্রুপটি সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ এলাকার। ওই ছ’টি পরিবার অনলাইনে যোগাযোগ করার পাশাপাশি অফলাইনেও ট্রাভেল গ্রুপের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এমনকী, অনেকে চেকেও টাকা পেমেন্ট করেছিলেন। বিমানের টিকিট, হোটেল খরচ, ভিসা সহ ইউরোপ এবং পৃথকভাবে লন্ডন বেড়ানোর জন্য ছ’টি পরিবারের কাছ থেকে মোট ১৪ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, টাকা নেওয়ার পর থেকে ওই গ্রুপের কেউ যোগাযোগ করছিল না। ওই গ্রুপের সদস্যদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা বার বার দেখা করতে চাইলেও কেউ দেখা করেনি। তারপরই সল্টলেক সেক্টর ফাইভের ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার ভিত্তিতে পুলিস তদন্ত শুরু করে এবং মূল পান্ডাকে গ্রেপ্তার করে।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই সল্টলেকে সিটি সেন্টার ১ এলাকায় একটি ট্রাভেল গ্রুপ অফিস খুলেছিল। তারা বিদেশ এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বেড়ানোর জন্য গিফট কুপন দিচ্ছিল। তার বিনিময়ে কারও কাছ থেকে ২০ হাজার, কারও কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়েছিল। যাঁরা গিফট কুপন কিনেছিলেন, তাঁরা কেউই বেড়াতে যেতে পারেননি। যখন অফিসে যোগাযোগ করেছিলেন, তখন দেখা যায়, সিটি সেন্টারের ওই অফিসে তালা ঝুলছে। ওই চক্রের অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছিল বিধাননগর উত্তর থানার পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, সেক্টর ফাইভের এই প্রতারণা চক্রের সবাইকে জালে পুরতে তদন্ত চলছে।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই সল্টলেকে সিটি সেন্টার ১ এলাকায় একটি ট্রাভেল গ্রুপ অফিস খুলেছিল। তারা বিদেশ এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বেড়ানোর জন্য গিফট কুপন দিচ্ছিল। তার বিনিময়ে কারও কাছ থেকে ২০ হাজার, কারও কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়েছিল। যাঁরা গিফট কুপন কিনেছিলেন, তাঁরা কেউই বেড়াতে যেতে পারেননি। যখন অফিসে যোগাযোগ করেছিলেন, তখন দেখা যায়, সিটি সেন্টারের ওই অফিসে তালা ঝুলছে। ওই চক্রের অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছিল বিধাননগর উত্তর থানার পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, সেক্টর ফাইভের এই প্রতারণা চক্রের সবাইকে জালে পুরতে তদন্ত চলছে।



