Bartaman Logo
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

বিরাটের পক্ষে শচীনের ওডিআই রান টপকানো কঠিন

শচীন তেন্ডুলকরকে পিছনে ফেলে একদিনের ক্রিকেটে বিরাট কোহলির দ্রুততম ১৫হাজার রানের পর ক্রিকেটমহলের চর্চায় ফের দুই মহাতারকা।

বিরাটের পক্ষে শচীনের ওডিআই রান টপকানো কঠিন
  • ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

তিরুবনন্তপুরম: শচীন তেন্ডুলকরকে পিছনে ফেলে একদিনের ক্রিকেটে বিরাট কোহলির দ্রুততম ১৫হাজার রানের পর ক্রিকেটমহলের চর্চায় ফের দুই মহাতারকা। শতরানের সংখ্যায় অনেক আগেই মাস্টার ব্লাস্টারকে টপকে গিয়েছেন চেজমাস্টার। তবে এই ফরম্যাটে শচীনের ১৮৪২৬ রানকে ছাপিয়ে যাওয়া কার্যত অসম্ভব। কারণ, পরের বছর ওডিআই বিশ্বকাপের আগে বড়জোর খান কুড়ি ম্যাচ পাবেন ভিকে। তাতে তিন হাজারেরও বেশি রান করা অসম্ভব। তা সে যতই বিরাট স্বপ্নের ফর্মে থাকুন না কেন। আর কাপযুদ্ধের পরে তিনি কি খেলবেন নীল জার্সিতে? সংশয় থাকছেই। বিশ্বকাপের সঙ্গে সঙ্গেই হয়তো অবসর নিয়ে ফেলবেন ভিকে।

Advertisement

পঞ্চাশ ওভারের ঘরানায় গত ১১ ইনিংসে ১১২.৩৭ গড়ে ৮৯৯ রান এসেছে তাঁর ব্যাটে। শতরানের সংখ্যা চারটি। স্ট্রাইক-রেট ১১৪.২৩। অবিশ্বাস্য বললেও কম! পরিসংখ্যান বলছে, একদিনের ক্রিকেটে গড় ও স্ট্রাইক রেটে শচীনের তুলনায় এগিয়ে বিরাট। অনেকেই তাঁকে এই ফরম্যাটে গ্রেটেস্ট ব্যাটসম্যান হিসাবে চিহ্নিত করছেন। স্বয়ং কোহলির যদিও তাতে তীব্র আপত্তি। সদ্য এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেকে সর্বকালের সেরা মানতে নারাজ বলে জানিয়েছেন।
অবশ্য শচীনের সময়ের সঙ্গে এখনকার একদিনের ক্রিকেটে বিস্তর ফারাক। এই ফরম্যাটে ৪০-৫০টি ম্যাচ লাল বলে খেলতে হয়েছিল মুম্বইকরকে। যেগুলো শুরু হতো সকালে। ফলে সুইং বোলাররা বাড়তি সুবিধা পেতেন। ব্যাটিং মোটেই সহজ ছিল না। তার উপর কেরিয়ারের প্রথম ৬৯টি ম্যাচ শচীন নামতেন মিডল অর্ডারে। তাঁর ১৮০০ রান এসেছে পাঁচ বা ছয় নম্বরে নেমে। যখন খুব বেশি ওভার বাকি থাকত না। ফিল্ডিংয়ের বিধিনিষেধের সুবিধাও তখন পাননি। সে জায়গায় কোহলি সব ওডিআই ম্যাচই সাদা বলে খেলার সুবিধা পেয়েছেন। পাশাপাশি ১১ থেকে ৪০ ওভারের মধ্যে ৩০ গজের বৃত্তের বাইরে মাত্র চারজন ফিল্ডার থাকার নিয়মও পক্ষে গিয়েছে কোহলির। শচীন যা কোনোদিনই পাননি। তাই ভিন্ন প্রজন্মের দুই তারকার মধ্যে তুলনা চলে না। আসলে সব সময় পরিসংখ্যান দিয়ে মহাতারকাদের বিচার করা যায় না, উচিতও নয়। শচীন ও বিরাট—দু’জনেই হলেন ভারতীয় ক্রিকেটের স্তম্ভ। তাঁরা আগামীর পথপ্রদর্শক। মনে রাখতে হবে কোনও রেকর্ডই চিরস্থায়ী নয়। কোনো না কোনো দিন তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বা পড়েছে। ওয়ান ডে ফরম্যাটের শচীন বা বিরাটের রান অন্য কেউ টপকে যাবেন না, সেটা নিশ্চিত করে কেই বা বলতে পারে!

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ