


মিরাট: এ যেন কোনও সিনেমার চিত্রনাট্য। প্রেমিক অমরদীপের সঙ্গে আটঘাঁট বেঁধে স্বামী অমিতকে গলা টিপে খুন করেছিল স্ত্রী রবিতা। তারপর বিষয়টিকে স্বাভাবিক মৃত্যু দেখাতে ঘরে বিষধর সাপ ছেড়ে দেয় তারা। কেউ সন্দেহও করেনি। এমনকী অমিতের বাবা-মাও ভেবেছিল সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে ছেলের। শুধু তাই নয়, তাঁর শরীরে একাধিক সাপের কামড়ের ক্ষত মিলেছিল। কিন্তু পুলিসের তদন্তে বেরিয়ে এল আসল ঘটনা। পুলিস জানতে পারে মোটেও সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়নি অমিতের। তাঁকে খুন করা হয়েছে। ঘটনাটি মিরাটের বাহিনসুমা থানার আকবর সাদত গ্রামের। গত মাসেই প্রেমিকের সাহায্য নিয়ে মার্চেন্ট নেভি স্বামীকে খুন করেছিল মুসকান। তারপর থেকে হাজতে দিন কাটছে তাদের। ঘটনাস্থল ছিল এই মিরাটই। আবার সেখানে প্রেমিকের সাহায্যে স্বামীকে খুন করা হল।
অপরাধ ঢাকতে খুনের পর ঘরে বিষধর সাপ ছেড়ে দিয়েছিল রবিতা ও অমরদীপ। ময়নাতন্তের রিপোর্টেও অমিতকে খুন করা হয়েছে বলে জানানো হয়। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, স্বামীকে খুনের প্রধান কারণ হল রবিতার পরকীয়া। খুনের অভিযোগে রবিতা ও তার প্রেমিককে গ্রেপ্তার করে পুলিস। জেরায় অপরাধের কথা স্বীকার করে নিয়েছে তারা। এদিকে সাপটিকে ধরে নিয়ে জঙ্গলে ছেড়ে দিয়েছে বনদপ্তর।