


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ভারত সরকারের বাজেটে এই বছর অন্ধ্রপ্রদেশ পেয়েছিল ৬৫ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ। এর মধ্যে রাজধানী অমরাবতীর জন্য প্যাকেজে ১৫ হাজার কোটি টাকা। পোলাভরম সেচপ্রকল্প পেয়েছে ১০ হাজার কোটি কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার জন্য ১০ হাজার কোটি টাকা। বিহারের ভাগ্যও সুপ্রসন্ন। ৫৯ হাজার কোটি টাকা পেয়েছিলেন নীতীশ কুমার। এর মধ্যে সড়ক নির্মাণে ২৬ হাজার কোটি টাকা। বিদ্যুৎ প্রকল্পে ২২ হাজার কোটি টাকা। বন্যা নিয়ন্ত্রণে ১১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। বাকি রাজ্যগুলির ভাগ্যে এরকম বিশেষ প্যাকেজ জোটেনি। কারণ এই দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মোদি সরকারের প্রাণভোমরা। তাঁদের সমর্থন সরে গেলেই সরকারের পতন ঘটবে। অতএব বাজেটে তাঁরা বড়সড় পক্ষপাত লাভ করেছেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারকে সমর্থন দেওয়ার বিনিময়ে উপহার দাবি বন্ধ করতে রাজি নন চন্দ্রবাবু নাইডু। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি লিখে দাবি করেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প যে শুল্ক আরোপ করেছেন তার ধাক্কা পড়েছে চিংড়ি (শ্রিম্প) এবং সমুদ্রজাত খাদ্য রপ্তানির উপর। আর সিংহভাগ ক্ষতি হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের। প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হতে চলেছে কয়েক মাসেই। চন্দ্রবাবু নাইডু চান, এই ক্ষতিপূরণ মোদি সরকার দিয়ে দিক। মৎস্যজীবীদের লোন দিয়ে, বিকল্প কোনও রপ্তানি ব্যবস্থা করে, পৃথক প্যাকেজ দিয়ে কিছু সিদ্ধান্ত নিক কেন্দ্র। নাইডুর এই চিঠি পেয়ে যথেষ্ট চাপে পড়েছে কেন্দ্র। কারণ, ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক ধাক্কায় সব রাজ্যই লোকসানের সম্মুখীন। কোনও না কোনও পণ্যের ক্ষেত্রে সব রাজ্যের উপরই বিরূপ প্রভাব পড়বে। সেক্ষেত্রে হঠাৎ পৃথকভাবে একটি রাজ্যকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া সম্ভব হবে কীভাবে? এই নিয়ে অর্থমন্ত্রক উদ্বিগ্ন। অন্যদিকে সমস্যা হল সরাসরি প্রত্যাখ্যান করাও সম্ভব নয়। কারণ নাইডুর সমর্থনে সরকার টিকে আছে!