


নিজস্ব প্রতিনিধি দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নদীর স্রোতে বাসন্তীর গরানবোস খালের উপর নির্মিত স্লুইস গেট ও সেতু ভেঙে যায়। এর ফলে আশপাশের বহু গ্রামের মানুষের সমস্যা হচ্ছিল। নোনা জল চাষের জমিতে ঢুকে পড়ায় ক্ষতি হয় ফসলের। সমস্যার সমাধান করতে তৎপর হন বাসন্তীর বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল। সেচদপ্তরের কাছে তিনি আবেদন করেছিলেন, এই স্লুইস গেট ও সেতু পুনরায় নির্মাণ করে দেওয়া হোক। সেই আবেদনে সাড়া দিয়েছে দপ্তর। বর্ষা মিটলেই এই কাজ শুরু হবে বলে প্রশাসনের আশ্বাস মিলেছে। এর জন্য ২৮ কোটি টাকা খরচ ধরা হয়েছে। আর্থিক ও প্রশাসনিক অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে দপ্তর।
এই খালটি মূলত নিকাশি হিসেবে কাজ করে। সেই সঙ্গে এর জল দিয়েই বহু গ্রামে সেচের কাজ হয়। বাসন্তী ব্লকের জ্যোতিষপুর, নফরগঞ্জ এবং ভরতগড় পঞ্চায়েত এলাকা দিয়ে খালটি বিদ্যা নদীতে গিয়ে মিশছে। রাধারানিপুর মৌজায় এই খালের উপর ২০১১ সালে যোগাযোগকারী সেতু ও স্লুইস গেট তৈরি করা হয়েছিল। সেটাই সম্প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তী সময় তা ভেঙেও যায়। নতুন করে এগুলি তৈরি করতে ইতিমধ্যে সেচদপ্তর সমীক্ষা চালিয়েছে এবং ডিপিআর তৈরি করেছে। দপ্তরের আশা, এই কাজ হয়ে গেলে ২৮ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতি হবে। উপকৃত হবেন প্রায় সাড়ে ১০ হাজার বাসিন্দা। বিধায়ক বলেন, ‘কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে বিধানসভায় আশ্বস্ত করেছেন দপ্তরের মন্ত্রী। অনেকে এই কাজের দিকে তাকিয়ে আছেন।’ নিজস্ব চিত্র