Bartaman Logo
২৮ জুন, ২০২৬

ট্রেনের টিকিট বুকিংয়ের সময় আইআরসিটিসির ওয়েবসাইটে বিভ্রাট অব্যাহত, নাজেহাল যাত্রীরা

ট্রেনের অনলাইন টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে আধার যাচাইয়ের বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আইআরসিটিসির ইউজার আইডির সঙ্গে আধার সংযুক্ত না থাকলে ট্রেনের তৎকাল টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হবে রেল যাত্রীদের।

ট্রেনের টিকিট বুকিংয়ের সময় আইআরসিটিসির ওয়েবসাইটে বিভ্রাট অব্যাহত, নাজেহাল যাত্রীরা
  • ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৫:০৯
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ট্রেনের অনলাইন টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে আধার যাচাইয়ের বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আইআরসিটিসির ইউজার আইডির সঙ্গে আধার সংযুক্ত না থাকলে ট্রেনের তৎকাল টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হবে রেল যাত্রীদের। আবার ট্রেনের জেনারেল ক্যাটিগরির ই-টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রেও প্রয়োজন হবে আধার সংযুক্তির। অন্যথায় রিজার্ভেশন শুরুর প্রথম ১৫ মিনিট অনলাইনে টিকিট কাটতে পারবেন না যাত্রীরা। শুধু তাই নয়, শর্তসাপেক্ষে রেলের নথিভুক্ত এজেন্টদের জন্যও অনলাইন টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে একাধিক বিধিনিষেধ জারি হয়েছে। রেল যাত্রীরা যাতে সহজে কনফার্মড টিকিট কাটতে পারেন, তার জন্যই এই পদক্ষেপ। লক্ষ্য একটাই—দালালরাজের খতম করা। কিন্তু বাস্তবে কি সমস্যা আদৌ মিটেছে? রেল যাত্রীদের একটি বড় অংশের অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে। তাঁদের মতে, ই-টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে যতই গালভরা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হোক না কেন, পরিস্থিতি আদতে সেই তিমিরেই রয়েছে। 

Advertisement

রেল যাত্রীদের একটি বড় অংশের অভিযোগ, আধার সংযোগ থাকা সত্ত্বেও অনলাইন টিকিট বুকিংয়ের সময় ওয়েবসাইট ‘হ্যাং’ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় জেরবার হতে হচ্ছে। আইআরসিটিসির ওয়েবসাইটের পাশাপাশি সমস্যা হচ্ছে মোবাইল অ্যাপেও। যতক্ষণে অনলাইন পরিষেবা স্বাভাবিক হচ্ছে, ততক্ষণে কনফার্মড টিকিট শেষ। স্ক্রিনে ফুটে উঠছে ‘রিগ্রেট’ বা ‘নো রুম’ সংক্রান্ত বার্তা। নাহলে ঠাঁই হচ্ছে দীর্ঘ ওয়েটিং লিস্টে। সঙ্গত কারণেই সামগ্রিক বিষয়টিকে অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে রেল বিশেষজ্ঞ মহল।
রেল যাত্রীদের একাংশের প্রশ্ন, এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী পরোক্ষে ফায়দা লোটার জন্যই কি ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপ ‘হ্যাং’ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে? অভিযোগ, আইআরসিটিসির ওয়েবসাইট কিংবা মোবাইল অ্যাপ সাময়িকভাবে অকেজো হয়ে পড়লেও টিকিট বুকিং সংক্রান্ত অন্য কয়েকটি ওয়েবসাইট দিব্যি কাজ করছে। শুধু তাই নয়, সেখানে কনফার্মড টিকিটও মিলছে অনেক সময়েই। তবে সেক্ষেত্রে বাড়তি অনলাইন চার্জ মেটাতে হচ্ছে যাত্রীদের। ফলে খরচ সামান্য হলেও বেশি পড়ছে। প্রশ্ন উঠছে, এহেন লভ্যাংশের কিছুটা অংশ কি অসাধু শ্রেণির পকেটে যাচ্ছে? এই ব্যাপারে সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করেনি রেলমন্ত্রক। কিন্তু দালালরাজের আশঙ্কা উড়িয়ে রেল বোর্ড সূত্রে বলা হয়েছে, একই সময়ে একসঙ্গে বহু যাত্রী টিকিট বুকিংয়ের চেষ্টা করলে ‘সার্ভার’ হ্যাং করতে বাধ্য। ‘পিক সিজনে’ এটি কোনও ব্যতিক্রমী ছবি নয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ