


মায়ামি: ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফানতিনোর আশ্বাসেও গলল না বরফ। আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ আক্রমণে দেশের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর প্রতিবাদে শেষ পর্যন্ত ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়াল ইরান। বুধবার মধ্য এশিয়ার দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রীর আহমেদ দোনয়ামালি জানান, ‘যেভাবে আমাদের দেশের শীর্ষ নেতাকে হত্যা করা হয়েছে, তারপর আমেরিকার বিশ্বকাপে খেলার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। যাদের আক্রমণের ভয়ে দেশের অভ্যন্তরে আমাদের শিশুরা সুরক্ষিত নয়। কোন ভরসায় ওই দেশে ফুটবলারদের পাঠাব আমরা। গত আট-নয় মাসে দু’বার ইরানের উপর হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। প্রাণ হারিয়েছে আমাদের হাজার হাজার মানুষ। এই ঘটনাক্রম ভোলা সম্ভব নয়।’
ইরানকে বিশ্বকাপে খেলানো নিয়ে আগেই আসরে নেমেছিলেন স্বয়ং ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফানতিনো। এই বিষয়ে মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথাও বলেন তিনি। সেখানে ইরান ফুটবলারদের নিরাপত্তার পাশাপাশি ভিসা সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হন বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার শীর্ষকর্তা। তবে তাতে কোনও লাভ হল না। গোটা বিষয়টা বেশ অস্বস্তি বাড়াল ফিফার অন্দরমহলে। কারণ ইরান শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপ থেকে নাম তুলে নিলে নতুন কোনও দেশকে তাদের জায়গায় খেলাতে হবে। সেই নিরিখে বাছাই পর্বের পারফরম্যান্সের বিচারকেই প্রাধান্য দেওয়া হবে বলে জানা দিয়েছে। চলতি মাসের শেষেই রয়েছে বিশ্বকাপের প্লে-অফের লড়াই। সেক্ষেত্রে ইরানের পরিবর্তে এশিয়ার কোনও দেশই বিশ্বকাপের টিকিট পাবে।