


মিউনিখ: অবশেষে অধরা মাধুরী লাভ পিএসজি’র। ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেতাবের স্বাদ পেল প্যারিসের ক্লাবটি। শনিবার মিউনিখের অ্যালায়েঞ্জ এরিনায় ফাইনালে ইন্তার মিলানকে রেকর্ড ৫-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিলেন ওসুমানে ডেম্বেলেরা। জোড়া গোলে ম্যাচের নায়ক ডেসিরে ডুয়ে। এছাড়া স্কোরশিটে নাম তুলেছেন আচরাফ হাকিমি, খচিভা কাভারাসেলিয়া ও সেনি মায়ুলু। তবে আসল কৃতিত্ব প্রাপ্য কোচ লুই এনরিকের। তিনিই পিএসজি’ সমর্থকদের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা। মেসি, নেইমার, এমবাপেরা যা পারেননি, তা একদল তরুণকে দিয়ে কারলেন অভিজ্ঞ স্প্যানিশ কোচ।
শনিবার মেগা ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই এনরিকের ছেলেরা হাই-প্রেসিং ফুটবলে চেপে ধরে ইন্তারকে। ১২ মিনিটেই প্রাক্তন ইন্তার ফুটবলার আচরাফ হাকিমির গোলে লিড নেয় পিএসজি। বক্সে ভিটিনহার পাস ধরে ডেসিরে ডুয়ে দেখেন ইন্তার গোলরক্ষক সোমের তাঁর দিকে এগিয়ে আসছেন। মুহূর্তে তাঁর মাপা পাস খুঁজে নেয় বক্সে ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা হাকিমিকে। সেখান থেকে লক্ষ্যভেদে ভুল হয়নি মরোক্কোর তারকা রাইট উইংব্যাকের (১-০)। আর প্রথম গোলের রেশ কাটার আগেই ২০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ডুয়ে (২-০)। সেই সঙ্গে রেকর্ড বুকেও নাম লেখালেন তিনি। ১৯ বছর ৩৬২ দিন বয়সে তৃতীয় টিনএজার হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে গোল করলেন। অবশ্য সেখানেই থেমে থাকেননি তিনি। দ্বিতীয়ার্ধে ৬৩ মিনিটে ভিটিনহার পাস থেকে ফের জাল কাঁপিয়ে কার্যত দলের জয় নিশ্চিত করে ফেলেন ডুয়ে (৩-০)। আর ইন্তারের কফিনে শেষ দু’টি পেরেক পোঁতেন কাভারাসেলিয়া (৪-০) ও মায়ুলু (৫-০)। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে সবচেয়ে বেশি ব্যবধানে জয়ের রেকর্ডও গড়ল পিএসজি।
পিএসজি- ৫ : ইন্তার মিলান-০