Bartaman Logo
২৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আরামবাগে নদী বাঁধের স্পর্শকাতর অংশ সংস্কারে উদ্যোগ, চিহ্নিত একাধিক এলাকা

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আরামবাগ মহকুমার বিভিন্ন নদ-নদীর বাঁধে একগুচ্ছ স্পর্শকাতর জায়গা চিহ্নিত করল সেচদপ্তর।

আরামবাগে নদী বাঁধের স্পর্শকাতর অংশ  সংস্কারে উদ্যোগ, চিহ্নিত একাধিক এলাকা
  • ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আরামবাগ মহকুমার বিভিন্ন নদ-নদীর বাঁধে একগুচ্ছ স্পর্শকাতর জায়গা চিহ্নিত করল সেচদপ্তর। নদীতে জল বেড়ে যাওয়ার আগে সেখানে সংস্কার শুরু হতে চলেছে। সেচদপ্তরের চাঁপাডাঙা ও আরামবাগ সাবডিভিশনের অধীনে বাঁধে একাধিক অংশ স্পর্শকাতর হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তার মধ্যে পুরশুড়া ব্লকে একটি, খানাকুল-১ ব্লকে তিনটি ও খানাকুল-২ ব্লকে দু’টি স্পর্শকাতর জায়গা চিহ্নিত হয়েছে। সেখানে বালির বস্তা মজুত করে মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, আরামবাগ সাবডিভিশনের তরফে দ্বারকেশ্বর, মুণ্ডেশ্বরী নদী মিলিয়ে প্রায় ২৫টি জায়গাকে ধসপ্রবণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Advertisement

সেচদপ্তরের এক ইঞ্জিনিয়ার বলেন, বিগত দিনে নদীবাঁধের বিভিন্ন দুর্বল অংশে কাজ হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের পর আরো কিছু স্পর্শকাতর জায়গা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিছু জায়গায় ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। প্রস্তুতি হিসেবে অনেক জায়গায় বালির বস্তা মজুত রাখা হয়েছে। জল বাড়লে সেখানেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ বলেন, স্পর্শকাতর নদীবাঁধে কাজের অগ্রগতি নিয়ে নজর রাখা হচ্ছে। আমাদের তরফেও মুখ্যমন্ত্রীকে নদীবাঁধের স্পর্শকাতর জায়গার তালিকা দেওয়া হয়। সেচদপ্তর ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। আমরা খুব তাড়াতাড়ি সেইসব কাজ দেখতে যাব।
বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে গত বৃহস্পতিবার আরামবাগে পর্যালোচনা বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী সেচদপ্তরকে একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়ে যান। বাঁধ ভেঙে যাতে এলাকা প্লাবিত না হয়, সেবিষয়ে গুরুত্ব দিতে নির্দেশ দেন। এক্ষেত্রে গাফিলতি হলে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। বিধায়ক বিমানবাবু সেসময় জানিয়েছিলেন, ১০দিনের মধ্যে নদীবাঁধের দুর্বল অংশ মজবুত করার কাজ করতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সেই বৈঠকের পরই সেচদপ্তর তৎপরতার সঙ্গে বেশ কিছু জায়গায় কাজ শুরু করেছে।
বিগত দিনে দ্বারকেশ্বর, মুণ্ডেশ্বরী প্রভৃতি নদীর বাঁধ ভেঙে গ্রামের পর গ্রাম বানভাসি হয়েছে। জলের তোড়ে পাকা ঘরও ভেঙে নদীগর্ভে চলে গিয়েছে। সম্প্রতি আরামবাগের সালেপুর এলাকায় প্রশাসনের আধিকারিকরা প্লাবিত জায়গা পরিদর্শনে যান। সেখানে স্থানীয়রা দ্বারকেশ্বর নদের দুর্বল অংশ দেখিয়ে মেরামতির আর্জি জানিয়েছিলেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ