Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

চোপড়া বিধানসভা কেন্দ্রে ফের কোন্দল তৃণমূলে

ভোটের মুখে আব্দুল হক ও আব্দুল সাত্তারের মধ্যে কোন্দল ফের প্রকাশ্যে। সুজালির প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি তৃণমূলের আব্দুল হক কিংবা তার পরিবারের কেউ প্রচারে থাকলে দলের ভোট কমবে।

চোপড়া বিধানসভা কেন্দ্রে ফের কোন্দল তৃণমূলে
  • ১৯ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

কাজল মণ্ডল, ইসলামপুর: ভোটের মুখে আব্দুল হক ও আব্দুল সাত্তারের মধ্যে কোন্দল ফের প্রকাশ্যে। সুজালির প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি তৃণমূলের আব্দুল হক কিংবা তার পরিবারের কেউ প্রচারে থাকলে দলের ভোট কমবে। এমনই আশঙ্কা করেছেন বর্তমান অঞ্চল সভাপতি আব্দুল সাত্তার। এই আশঙ্কার কথা ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বকে জানানোর পাশাপাশি বুধবার প্রেসমিট করেও জানিয়েছেন। 

Advertisement

ইসলামপুর ব্লকের অধীন হলেও সুজালি অঞ্চলটি চোপড়া বিধানসভার অন্তর্ভুক্ত। প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি ও চোপড়ার হামিদুল রহমানের সঙ্গে আগে থেকেই দ্বন্দ্ব ছিল সাত্তার গোষ্ঠীর। তাঁরা চোপড়ায় নতুন মুখের দাবিতে সরব হয়েছিলেন। কিন্তু দল হামিদুলের উপরই আস্থা রেখেছে। রাজনৈতিক মহলের আলোচনা, শুরু থেকে বিরোধিতা করে আসা সাত্তার পড়েছেন বেকায়দায়। কারণ, দলে থাকলে হামিদুলের হয়েই প্রচারে নামতে হবে। কার্যত ইচ্ছে না থাকলেও হামিদুলের হয়ে ভোট করাতে হবে সাত্তারকে। এই পরিস্থিতিতে নিজের অনুগামীদের সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য ভোটের আগে প্রেসমিট করে আশঙ্কার কথা জানাচ্ছেন সাত্তার। 
এদিনও সাত্তার বলেন, নতুন মুখ প্রার্থী হলে আমরা খুশি হতাম। তারপরও আমরা তৃণমূলকে ভোট দেব। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য আমরা সবাই তৃণমূলকে ভোট দেব। একই সঙ্গে অঞ্চল সভাপতি আব্দুল সাত্তার বলেছেন, আব্দুল হক বা তার পরিবারের কেউ হামিদুল সাহেবের প্রচারে থাকলে ভোট কমবে। বিষয়টি নেতৃত্বকে জানিয়েছি। এবিষয়ে প্রার্থী হামিদুলের প্রতিক্রিয়া, কে কী বলছে, কী করছে, তা দল দেখবে। আব্দুল হক বলেছেন, দল যা সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই করব। 
গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন হামিদুল অনুগামী আব্দুল হক। একাধিক অপরাধমূলক মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ হানা দিয়েছিল। সেমসয় থেকে আত্মগোপন করে ছিলেন আব্দুল হক। সেসময়  আব্দুল সাত্তারকে অঞ্চল সভাপতি করা হয়। আব্দুল হকের স্ত্রী সুজালি পঞ্চায়েতের প্রধান। তাঁকেও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। নির্বাচনে হামিদুলের সঙ্গে প্রচারে নেমে আব্দুল হক কিংবা তাঁর পরিবার যাতে রাজনীতির ময়দানে ফিরে আসতে না পারে সেজন্যই এই কৌশল সাত্তারের। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ