নয়াদিল্লি: ইন্দিরা গান্ধীর বিরুদ্ধে রায় দিয়ে রাজরোষে ৪৭ বছর আগে দেশের প্রধান বিচারপতি হতে পারেননি কাকা হংসরাজ খান্না। সেই বৃত্ত পূর্ণ করলেন ভাইপো। সোমবার দেশের ৫১তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন সঞ্জীব খান্না। এদিন রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সদ্য প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, উপ রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকার, কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী সহ বিশিষ্টজনেরা।
Advertisement
বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার তিন পুরুষ আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত। ঠাকুরদা সরভ দয়াল ছিলেন অমৃতসরের প্রসিদ্ধ আইনজীবী। জালিয়ানওয়ালা বাগের কাছে খাত্রা শের সিংয়ে বাড়ি বানিয়েছিলেন তিনি। বর্তমানে সেটির কী হাল? জানতে উদগ্রীব বলে জানিয়েছেন দেশের নতুন প্রধান বিচারপতি। সঞ্জীব খান্নার বাবা দেবরাজ খান্না দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন। মা সরোজ ছিলেন অধ্যাপিকা। তাঁরা চাননি ছেলে আইন পেশায় আসুক। বরং চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অন্যকিছু ভেবে রেখেছিলেন সঞ্জীব খান্না। কাকা হংসরাজের অনুপ্রেরণায় বেছে নেন আইন পেশাকে। কাকাকে তিনি মানতেন ‘গুরু’ হিসেবে।
ভারতীয় বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন বিচারপতি হংসরাজ খান্না। ১৯৭৬ সালে এডিএম জব্বলপুর মামলায় রাষ্ট্রের প্রয়োজনে ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার স্থগিত রাখা যায় বলে রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ। একমাত্র বিচারপতি হংসরাজ খান্না এই মামলায় ভিন্নমত পোষণ করেছিলেন। আর এই রায়ের জন্য রাজরোষে পড়েন এইচ আর খান্না। তাঁকে টপকে বিচারপতি এম এইচ বেগকে দেশের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত করে ইন্দিরা গান্ধী সরকার। এর প্রতিবাদে ইস্তফা দেন বিচারপতি হংসরাজ খান্না। কিন্তু তাঁর এই রায় এখনও মাইলফলক। এবার দেশের সংবিধান রক্ষার দায়িত্ব সঞ্জীব খান্নার উপরে।
ভারতীয় বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন বিচারপতি হংসরাজ খান্না। ১৯৭৬ সালে এডিএম জব্বলপুর মামলায় রাষ্ট্রের প্রয়োজনে ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার স্থগিত রাখা যায় বলে রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ। একমাত্র বিচারপতি হংসরাজ খান্না এই মামলায় ভিন্নমত পোষণ করেছিলেন। আর এই রায়ের জন্য রাজরোষে পড়েন এইচ আর খান্না। তাঁকে টপকে বিচারপতি এম এইচ বেগকে দেশের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত করে ইন্দিরা গান্ধী সরকার। এর প্রতিবাদে ইস্তফা দেন বিচারপতি হংসরাজ খান্না। কিন্তু তাঁর এই রায় এখনও মাইলফলক। এবার দেশের সংবিধান রক্ষার দায়িত্ব সঞ্জীব খান্নার উপরে।



