


দুবাই, ৯ মার্চ: ২৫ বছর আগের হারের প্রতিশোধ! ২০০০ সালে নাইরোবিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে পরাজিত হয়েছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভারত। ২০২৫ সালে দুবাইয়ের মাটিতে তারই যেন মধুর প্রতিশোধ নিল রোহিত বাহিনী। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে চার উইকেটে কিউয়িদের ধরাশায়ী করল ভারত। ম্যাচের সেরা রোহিত। অন্যদিকে, প্লেয়ার অব সিরিজ কিউয়িদের র্যাচিন রবীন্দ্রন। এই দুর্দান্ত জয়ের জন্য ভারতীয় দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জয়ের পরে দর্শকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ভারত অধিনায়ক। রোহিত বলেন, ‘এটা আমাদের হোম গ্রাউন্ড নয়। কিন্তু কখনই তা মনে হয়নি। এর কারণ হল দর্শকরা।’
এদিনের জয় ভারতের জন্য সহজ ছিল না। টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক স্যান্টেনার। শুরুটা খুব একটা খারাপ হয়নি কিউয়িদের। কিন্তু মিডল অর্ডারে ধস নামে। চার নম্বরে নামতে আসা ড্যারেল মিচেল ১০১ বলে ৬৩ রান তুলে দলকে লড়াইয়ের জায়গায় ফেরান। এছাড়া ৪০ বলে অপরাজিত ৫৩ রানের ঝকঝকে ইনিংস উপহার দেন ব্রেসওয়েলও। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৫১ রানে থামে নিউজিল্যান্ডের দৌড়। ভারতের বরুণ চক্রবর্তী ও কূলদীপ যাদব দু’টি করে উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া সামি ও রবীন্দ্র জাদেজার ঝুলিতে গিয়েছে একটি করে উইকেট।
২৫২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটে ঝড় তোলে রোহিত শর্মা ও শুভমান গিল জুটি। শুভমান ৩১ রানে আউট হয়ে যাওয়ার পরে নামেন বিরাট। কিন্তু ভক্তদের হতাশ করে মাত্র ১ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান তিনি। তখন দলের রান ১০৬। তার ঠিক কিছুক্ষণ পরে ৭৬ রান করে আউট হন অধিনায়ক। স্কোর বোর্ডে তখন ১২২। এর পরে ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন শ্রেয়স আইয়ার ও অক্ষর প্যাটেল। শ্রেয়স ৬২ বলে ৪৮ রান করেন। এক ওভার বাকি থাকতেই ৬ উইকেট হারিয়ে ২৫৪ রান তুলে জয় পকেটে পুরে নেয় ভারত। পায় চ্যাম্পিয়নের তকমাও।