Bartaman Logo
১৩ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জে পুরসভার কর্মীদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ পুরসভার সাফাইকর্মীরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন। শহরের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ। বিস্তারিত পড়ুন।

জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জে পুরসভার কর্মীদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি
  • ১৩ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, লালবাগ: বেতন বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন দাবিতে জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ পুরসভার অস্থায়ী সাফাইকর্মী, ইলেকট্রিশিয়ান ও গাড়ি চালকরা বিক্ষোভে সামিল হলেন। খবর পেয়ে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান এবং এগজিকিউটিভ আধিকারিক পৌঁছে প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা করে তাঁদের দাবি পূরণের আশ্বাস দেন। কিন্তু তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানান, শুধু মৌখিক আশ্বাস দিলে হবে না। দাবি পূরণ না হওয়া অবধি অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি চলবে। সাফাইকর্মীদের কর্মবিরতিতে শহর পরিচ্ছন্ন রাখা নিয়ে বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন।

Advertisement

জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ পুরসভায় ২০০’র বেশি অস্থায়ী সাফাইকর্মী, গাড়িচালক ও ইলেকট্রিশিয়ান রয়েছেন। বেশ কয়েকবছর ধরেই তাঁরা বেতন বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা, সপ্তাহে একদিন ছুটি, অনিচ্ছাকৃত অনুপস্থিতির ক্ষেত্রে বেতন না কাটা সহ নানা দাবি জানিয়ে আসছিলেন। পুর কর্তৃপক্ষের বারবার আশ্বাস সত্ত্বেও তাঁদের দাবি পূরণ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে এই কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হচ্ছিল। শুক্রবার সকালে তাঁরা কর্মবিরতির ডাক দিয়ে জিয়াগঞ্জ শহরে টাউন সেন্টারের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন। ভাইস চেয়ারম্যান এবং এগজিকিউটিভ অফিসার সেখানে গেলেও তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যান। পরে বিক্ষোভকারীরা টাউন সেন্টার থেকে মিছিল বের করেন। তাঁদের একজন বলেন, অস্থায়ী কর্মীরা মাসের শেষে যে টাকা হাতে পান, সেটা দিয়ে এই অগ্নিমূল্যের বাজারে ১৫দিনও চলে না। গত ১০-১২বছর ধরে বেতন বৃদ্ধি সহ নানা দাবি জানিয়ে আসা হচ্ছে। প্রতিবার শুধু আশ্বাস মিলেছে। দাবি পূরণ হয়নি। সেকারণে আমরা বাধ্য হয়ে পথে নেমেছি। অপর এক বিক্ষোভকারী বলেন, দাবি না মেটানো অবধি কর্মবিরতি চলবে। ভাইস চেয়ারম্যান পরিমল সরকার বলেন, অস্থায়ী কর্মীদের দাবি প্রশাসনিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমে পূরণের চেষ্টা করা হবে।
অস্থায়ী সাফাইকর্মীদের কর্মবিরতিতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন শহরের বাসিন্দারা। স্থানীয় রাজু মণ্ডল বলেন, সাফাইকর্মীরা কর্মবিরতি চালিয়ে গেলে শহর আবর্জনায় ভরে উঠবে। পরিবেশ দূষিত হবে। রাস্তাঘাটে হাঁটাচলা দুষ্কর হয়ে পড়বে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ