নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: পরপর দু’টি মৃত্যুর ঘটনা। শুক্রবার রাতে একটি ঘটনা ঘটে ইছাপুরে এবং অপরটি শনিবার সকালে বারাকপুরের তালপুকুরে। ইছাপুরের নবাবগঞ্জ এলাকায় একটি মেসবাড়ির সিঁড়ি থেকে উদ্ধার হয় বছর বত্রিশের এক যুবকের মৃতদেহ। মৃতের নাম ভাস্কর পাকড়ে (৩২)। ওইদিন সন্ধ্যায় বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে যাচ্ছেন বলে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু অনেক রাত হয়ে গেলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় স্থানীয় ও পরিচিতরা ভাস্করের খোঁজ শুরু করেন। কিছু পরে নবাবগঞ্জ এলাকারই এক মেসবাড়ির সিঁড়ি থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়।
Advertisement
কান্নায় ভেঙে পড়ে মৃত ভাস্করের মা বলেন, রাতে রান্না হয়েছে কি না, ছেলে ফোনে জিজ্ঞাসা করেছিল। সেটাই শেষ কথা। তারপরই এই ঘটনা। এনিয়ে মৃতের জামাইবাবু সঞ্জয় রায় বলেন, মেসবাড়ির বন্ধুদের সঙ্গে প্রায়ই ভাস্কর আড্ডা দিতে যেত। কারোর সঙ্গে ওঁর শত্রুতা ছিল বলে জানতাম না। কিন্তু মৃতদেহের মাথার পিছনে আঘাত ছিল। এছাড়া মৃতের মা বলেন, ওর মোবাইল ছাদে পাওয়া গিয়েছে। মোবাইল কেন সঙ্গে ছিল না, সেই নিয়ে আমাদের সন্দেহ হচ্ছে। যদিও এনিয়ে নোয়াপাড়া থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি বলেই পুলিস সূত্রে খবর। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলার রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, বন্ধুদের সঙ্গে মদ্যপান করে বেসামাল হয়ে সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে থাকতে পারেন ভাস্কর। তাতেই মাথায় আঘাত লেগে মৃত্যু হতে পারে ওই যুবকের।
এছাড়া এদিন সকালে বারাকপুরের তালপুকুরে এক ব্যক্তির মৃতদেহ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় টিটাগড় থানায়। পুলিস তাঁকে বি এন বসু হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর পরনে ট্র্যাক শ্যুট ও টি শার্ট ছিল। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সঞ্জয় দে (৪০)। বাড়ি টিটাগড় এলাকাতে। কী কারণে মৃত্যু হল, তা জানতে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া এদিন সকালে বারাকপুরের তালপুকুরে এক ব্যক্তির মৃতদেহ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় টিটাগড় থানায়। পুলিস তাঁকে বি এন বসু হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর পরনে ট্র্যাক শ্যুট ও টি শার্ট ছিল। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সঞ্জয় দে (৪০)। বাড়ি টিটাগড় এলাকাতে। কী কারণে মৃত্যু হল, তা জানতে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।



