দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, নবোদয় বিদ্যালয় থেকে বিভিন্ন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশন। পরিকাঠামোর অভাবে কার্যত ধুঁকছে দেশের একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় বা নবোদয় বিদ্যালয়ে হাজার হাজার শিক্ষক পদ খালি। তেমনই গত তিন আর্থিক বছরে সারা দেশে বন্ধ হয়েছে শ’য়ে শ’য়ে টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশন। সোমবার সংসদে এমনই রিপোর্ট পেশ করেছে শিক্ষামন্ত্রক। আর সেই পরিসংখ্যানে দেশে শিক্ষাব্যবস্থার বেহাল দশাই সামনে এসেছে।
দেশজুড়ে বন্ধ হতে থাকা বিভিন্ন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশন প্রসঙ্গে সোমবার লোকসভায় লিখিত প্রশ্ন করেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল কাসওয়ান। লিখিত জবাবে শিক্ষা রাষ্ট্রমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার যে খতিয়ান পেশ করেছেন, তা রীতিমতো চমকে ওঠার মতো। ওই খতিয়ানে ২০২৪-২৫ থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যাওয়া টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশনের হিসাব দিয়েছেন সুকান্তবাবু। দেখা যাচ্ছে, উল্লিখিত তিন আর্থিক বছরে সারা দেশে ৩৪২টি টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশন বন্ধ হয়েছে। লক্ষণীয় বিষয়, এই সংখ্যাটি ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরে দেশব্যাপী ৮৩টি, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ১২৪টি এবং ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ১৩৫টি টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশন বন্ধ হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে এখনও পর্যন্ত সবথেকে বেশি টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশন বন্ধ হয়েছে বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্রে, ৩৫টি। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে শীর্ষে ছিল উত্তরপ্রদেশ। ২৭টি। ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরে দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে ছিল মধ্যপ্রদেশ। ২২টি। সুকান্ত মজুমদার আরও জানিয়েছেন, ২০২৩-২৪ আর্থিক বছর থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ পর্যন্ত অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশনের আওতায় (এআইসিটিই) নথিভুক্ত টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশনের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে।