Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হেঁশেল পৃথক হলে মিটার সহ জলের আলাদা সংযোগ দেবে মহেশতলা পুরসভা

হেঁশেল পৃথক হলে মিটার সহ জলের আলাদা সংযোগ দেবে মহেশতলা পুরসভা
  • ১৪ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, বজবজ: এতদিন বাড়ির মালিকের নামে একটাই জলের সংযোগ দেওয়া হতো। সেই জলেই নিত্য কাজ সারত গোটা বাড়ি। কর্তা-গিন্নি থেকে শুরু করে ছেলে বউমা সকলের রান্না-খাওয়া, স্নান, বাথরুম— দিব্যি চলে যেত। কালের স্রোতে অনেক বাড়িতেই সেই বন্ধন আর নেই। এক বাড়িতে থাকলেও আলাদা হেঁশেল, আলাদা বাথরুম হয়েছে বহু পরিবারে। ফলে অনিবার্যভাবে উঠে এসেছে জলের ভাগের প্রশ্ন। এই প্রশ্নের মীমাংসা করতে জলের সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়মে বদল আনতে চলেছে মহেশতলা পুরসভা। পুরসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কোনও পরিবারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ছেলে যদি আলাদা করে জলের সংযোগ চেয়ে আবেদন করেন, তাহলে তা মঞ্জুর করবে পুর কর্তৃপক্ষ। আয়তনের দিক থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার অন্যতম বড় এই পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে অনেকদিন ধরেই আলাদা জলের সংযোগ চেয়ে আবেদন আসছিল সংশ্লিষ্ট বিভাগে। পারিবারিক বিবাদের কারণে বাবা-মা, ছেলে-বউমায় ভাগ হয়েছে সংসার। কারও কারও অভিযোগ, যেহেতু বাবার নামে জলের সংযোগ, তাই সেই জল ব্যবহার করতে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে জল নিয়ে ঝঞ্ঝাট নিত্যদিনের রুটিনে পরিণত হয়েছে। কোনও কোনও পরিবারে এই বিবাদ এতটাই চরমে উঠেছে যে, অস্বস্তি বেড়েছে মহেশতলা পুরসভার। ভুক্তভোগীরা সকলেই চাইছেন, পুরসভা তাঁদের নামে আলাদা করে জলের সংযোগ দিক। তাহলে কিছুটা হলেও অশান্তি কমতে পারে। মহেশতলা পুরসভার সিআইসি (স্বাস্থ্য) তাপস হালদার বলেন, চেয়ারম্যান দুলাল দাসের কাছে এ ব্যাপারে অনেকদিন ধরেই আবেদন জমা পড়ছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, আম্রুত-টু প্রকল্পে একই বাড়িতে বাবা-ছেলের হাঁড়ি ভিন্ন হলে, এবার দু’জনের নামে আলাদা আলাদা জলের সংযোগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি এও ঠিক হয়েছে যে, প্রতিটি সংযোগের সঙ্গে জলের মিটার বসানো হবে। কত জল ব্যবহার হচ্ছে, তার হিসেব পাওয়া যাবে। পরবর্তীকালে এই হিসেবের উপর ভিত্তি করে সেই পরিমাণ জল দেওয়া হবে। জলের অপচয় কমানোই আমাদের লক্ষ্য। তাপসবাবু বলেন, তিনটি পর্যায়ে এই কাজ হবে। ইতিমধ্যেই প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। যাঁদের একেবারে জলের সংযোগ নেই, তাঁদের প্রথম তালিকায় রাখা হয়েছে। -ফাইল চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ