সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: পুরভোটের প্রস্তুতি চলছে রাজনৈতিক দলগুলির অন্দরে। এই আবহে পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার হাওড়ার একটি সভায় শমীক বলেন, আগামী দিনে হাওড়া জেলা পরিষদ দখল করতে হবে। পঞ্চায়েত দখল করতে হবে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোট গণনার সময় যারা আমাদের কর্মীদের উপর আক্রমণ করেছিল। মহিলা কর্মীদের রাত পর্যন্ত বসিয়ে রেখে সার্টিফিকেট কেড়ে পরাজিত ঘোষণা করেছিল, তাদের চিনে নিন। তবে আমি প্রতিহিংসা বা আক্রমণের কথা বলছি না, কিন্তু তাদের খুঁজে বের করুন, চিহ্নিত করুন। উল্লেখ্য, বর্তমানে হাওড়া জেলা পরিষদ রয়েছে তৃণমূলের দখলে। মঙ্গলবার ফুলেশ্বরের মনসাতলায় বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ জেলার সদর কার্যালয়ে ভূমি পূজন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে এই কথা বলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, যারা আমাদের হেনস্তা করেছে, তাদের ভালোবেসে আদর করে নেওয়ার দায়িত্ব আমাদের দলের। যেসব সরকারি আধিকারিকরা ওদের সঙ্গে থেকে যথেচ্ছাচার করেছেন এবং কয়েকজন বিজেপি নেতাকে ধরে তাঁদের সঙ্গে সর্ম্পক ভালো করছেন, আমাদের কাছে সকলের হিসাব আছে। কেন্দ্রীয় পার্টি পুরো বিষয়ের উপর নজরদারি করছে। আপনারা কেউ ওই পথে হাঁটবেন না। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক চিরন বেরা, জেলা সভাপতি দেবাশিস সামন্ত, বিজেপি নেতা প্রত্যুষ মণ্ডল। শমীকের বার্তা, সংখ্যালঘুরা বুঝতে পেরেছেন ২০ বছর কেন্দ্রে বা রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের সম্ভবনা নেই। আমাদের সঙ্গে থাকতে হবে। আমাদের সঙ্গে ঘর করতে হবে। সেইজন্য তাঁরাও এগিয়ে এসেছেন। রেজিনগরে ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু আসনে আমাদের প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। ফলে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। বর্ষীয়ান এই নেতার দাবি, পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজোর সংখ্যা বেড়েছে। মুর্শিদাবাদ, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, বেলডাঙা যেখানে কার্যত দুর্গাপুজো বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, সেখানে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে পুজো করছেন।



