পুজোয় জমজমাট ভবানীপুর!  পদ্মদিঘির ঘাটে শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা ও থিমের মেলবন্ধন
  • ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সোহম কর, কলকাতা: এবার পুজোয় ভবানীপুর জমজমাট। কোথাও জলের মধ্যে হবে দেবীর আরাধনা। কোথাও আবার এই উৎসবে ক্লাব উদ্যোক্তারা শিল্পীকে শ্রদ্ধা জানাতে ভুলছেন না। এসবের মাঝে পদ্মদিঘির ঘাট তৈরি করে মায়ের আরাধনা করছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন। যেখানে থাকছে ১০৮টি পদ্ম।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা কেন্দ্র বলে কথা। তাই পুজো নিয়ে এই এলাকায় যে বাড়তি উন্মাদনা থাকবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। হচ্ছেও তাই। চক্রবেড়িয়া সর্বজনীনের পুজো এবার ৮১ বছরে পা দিচ্ছে। তাদের থিম পদ্মদিঘির ঘাটে। মণ্ডপ শিল্পী সুমি মজুমদার, শুভদীপ মজুমদার ও তৃষা দত্ত। প্রতিমা তৈরি করছেন পরিমল পাল। পুজোর অন্যতম উদ্যোক্তা তিমির সরকার বলছিলেন, রাজনীতির পরিমণ্ডল থেকে বেরিয়ে এসেছি আমরা। কমিটিও পরিবর্তন হয়েছে। প্রতিবেশীরা যোগ দিয়েছেন। পদ্ম ফুল দিয়েই মায়ের পুজো হয়। সেটাই আমাদের থিম। আমাদের ঠাকুর সাবেকি।
তবে পদ্মপুকুরের পুজো এবার চোখ ধাঁধানো। তাদের ৫৬ তম বছরে থিমের নাম আদি যোগী। অন্যতম উদ্যোক্তা আশিস যাদব বলছিলেন, জলের উপর ১০০ ফুটের শিব থাকবে। সন্ধ্যায় চোখ ধাঁধানো লাইটিং ফুটে উঠবে। ইতিমধ্যেই অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী এই মণ্ডপ ঘুরে গিয়েছেন। এখনকার প্রতিমা হচ্ছে থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে। মণ্ডপ তৈরি করছেন অভিনব রক্ষিত। প্রতিমা তৈরি করছেন বাপি দাস। ভবানীপুর এলাকায় অবসর খুবই নামজাদা পুজো। তারা এবার শ্রদ্ধা জানাচ্ছে শিল্পী শানু লাহিড়ীকে। পুজো কমিটির এক উদ্যোক্তার কথায়, দুর্গাপুজোর আঙিনায় শিল্পী শানু লাহিড়ীর অবদান অনেক। ১৯৮২ থেকে ১৯৯৬ সাল তিনি ভবানীপুরের মণ্ডপে ঠাকুর তৈরি করেছিলেন। তাঁর জীবন, মূল্যবোধ, শিল্প চর্চাকে স্মরণ করেই এই বছর মণ্ডপের থিম ‘অন্য যেখানে অনন্য’। সঙ্গে রয়েছে ডি এন মিত্র স্কোয়ার বা গাজা পার্কের পুজো।এর পাশাপাশি ভবানীপুর এলাকায় রয়েছে ঐতিহ্যমণ্ডিত ২৩ পল্লি দুর্গা মন্দির। ভবানীপুর এলাকায় ঠাকুর দেখতে আসা দর্শনার্থীরা থিম পুজোর ভিড়ে এই মন্দিরে একবার হলেও প্রতিমা দর্শন করতে কিন্তু ভোলেন না।  নিজস্ব চিত্র