


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আগামী সোমবার ২১ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। তাই কীভাবে সংসদে মোদি সরকারকে কোণঠাসা করা হবে, তা ঠিক করতে মঙ্গলবার দলের স্ট্র্যাটেজি বৈঠক করলেন সোনিয়া গান্ধী। ১০ জনপদে এদিন ডাকা হয়েছিল কংগ্রেস সাংসদদের। পহেলগাঁও হামলা থেকে শুরু করে চীনের সঙ্গে ফের নতুন করে ভারতের সম্পর্ক বাড়ানো, বিহারে ভোটার তালিকা শুদ্ধকরণের নামে প্রায় ৩৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার মতো নানান ইস্যু রয়েছে। তাই কীভাবে সরকারকে সংসদে চেপে ধরা হবে, তা নিয়ে আলোচনা করলেন সোনিয়া।
কংগ্রেসের বৈঠকের পর শীঘ্রই মোদি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক ডাকা হবে বলে খবর। বৈঠকে সোনিয়া দলকে বলেছেন, সংসদে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে। কংগ্রেসের মধ্যে যেন মতভেদ না হয়। ভিন্ন সুর চলবে না। রাজনৈতিক মহলের মতে, সোনিয়া গান্ধী আদতে দলের সাংসদ শশী থারুরকেই বার্তা দিতে চেয়েছেন। কারণ, বিদেশে পাঠানো সরকারের প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দেওয়ার পর দেশে ফিরে থারুর মোদির প্রশংসা করেছেন।
কংগ্রেস সূত্রে খবর, পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর এতদিন কেটে গেলেও কেন হত্যাকারীরা ধরা পড়ল না? জঙ্গিরা কোথায় পালাল? তাছাড়া পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে যেখানে চীন ভারত বিরোধী অবস্থান নিয়েছিল? সেখানে চীনকে কেন কড়া জবাব না দিয়ে কেন বন্ধুত্ব করার চেষ্টা হচ্ছে? পহেলগাঁওয়ের ঘটনায় ব্যর্থতার দায়িত্ব কেন নিচ্ছে না সরকার? কী আড়াল করছেন মোদি? এই সব প্রশ্ন তুলে মোদি সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করবে কংগ্রেস। ইন্ডিয়া জোটের অন্যান্য শরিককেও পাশে চায় তারা।
এদিকে, মঙ্গলবার দুপুর তিনটেয় দিল্লির বসন্তকুঞ্জের জয় হিন্দ কলোনিতে ধর্না কর্মসূচি শেষ করল তৃণমূল। সোমবার কর্মসূচি শুরু হয়েছিল।