সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: হাওড়া জেলার দু’শোরও বেশি প্রাথমিক স্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা তিরিশের নীচে নেমে গিয়েছে। ওইসব স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে হাওড়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড। সূত্রের খবর, স্কুলগুলিতে আরও শিক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা বাড়াতে শিক্ষকদের আরও উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের কর্তাদের আশা, এতে স্কুলগুলিতে ছাত্রছাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।
Advertisement
বর্তমানে হাওড়া জেলায় দুই হাজারের বেশি প্রাথমিক স্কুল আছে। এর মধ্যে দু’শোরও বেশি স্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা অনেকটাই কম। এমনকী, কয়েকটি স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা তিরিশের নীচে নেমে গিয়েছিল। বিষয়টি সামনে আসতেই জেলা শিক্ষা বোর্ড একটি সমীক্ষা করে। দেখা যায়, যেসব স্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা একদম কমে গিয়েছে, সেগুলিতে হয় একজন, না হয় দু’জন শিক্ষক আছেন। ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কম থাকায় দু’টি ক্লাসের পড়ুয়াকে একসঙ্গে বসিয়ে ক্লাস নেন শিক্ষকরা। এর ফলে অভিভাবকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। তাঁরা ওই স্কুলগুলিতে তাঁদের সন্তানদের পাঠাতে অনীহা প্রকাশ করেন। এর ফলেই কমেছে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা।
হাওড়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান কৃষ্ণকুমার ঘোষ বলেন, ওইসব স্কুলে যাতে পড়ুয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, সেদিকে আমরা বিশেষ নজর দিচ্ছি। পাশাপাশি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ওইসব স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষক সংখ্যা নিয়ে অভিভাবকদের যে অভিযোগ, তা কিছুটা হলেও কমবে। হাওড়া জেলা প্রাথমিক বোর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, যেসব স্কুলে ৬০ জন পড়ুয়া আছে, সেখানে দুইজন, ৯০ জন থাকলে তিনজন এবং ৯০ থেকে ১২০ জন পড়ুয়া থাকলে চারজন শিক্ষক নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। এমনকী, যেসব স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ৩০ এর কম, এবং দু’জন শিক্ষক আছেন, সেখানে আরও শিক্ষক দেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলে জানান কৃষ্ণকুমার ঘোষ।
হাওড়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান কৃষ্ণকুমার ঘোষ বলেন, ওইসব স্কুলে যাতে পড়ুয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, সেদিকে আমরা বিশেষ নজর দিচ্ছি। পাশাপাশি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ওইসব স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষক সংখ্যা নিয়ে অভিভাবকদের যে অভিযোগ, তা কিছুটা হলেও কমবে। হাওড়া জেলা প্রাথমিক বোর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, যেসব স্কুলে ৬০ জন পড়ুয়া আছে, সেখানে দুইজন, ৯০ জন থাকলে তিনজন এবং ৯০ থেকে ১২০ জন পড়ুয়া থাকলে চারজন শিক্ষক নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। এমনকী, যেসব স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ৩০ এর কম, এবং দু’জন শিক্ষক আছেন, সেখানে আরও শিক্ষক দেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলে জানান কৃষ্ণকুমার ঘোষ।



