


সিমলা: একেবারে পড়শি রাজ্য পাঞ্জাব। সেখানে প্রায় ৬০০টি রুটে বাস পরিষেবা দিয়ে থাকে হিমাচল প্রদেশ। রাতটুকু ওই রাজ্যের স্ট্যান্ডে কাটিয়ে আবার ভোরে হিমাচলে ফিরে আসে বাসগুলি। আর তাতেই যত গোলমাল! সম্প্রতি পাঞ্জাবের স্ট্যান্ডগুলিতে থাকার সময় রাতে হামলা শুরু হয়েছে এই বাসগুলিতে। একের পর এক বাসে ভাঙচুর চালানো হচ্ছে। কোনওটায় আবার লিখে দেওয়া হচ্ছে খালিস্তানি স্লোগান। এই অবস্থায় পাঞ্জাবের ভগবন্ত সিং মান সরকারের কাছে বাসগুলির নিরাপত্তার আর্জি জানিয়েছে হিমাচল প্রদেশ। সাফ বলা হয়েছে, নিরাপত্তার আশ্বাস না পেলে রাতে আর পাঞ্জাবের বাসস্ট্যান্ডে রাখা হবে না রাজ্যের বাস। রুটের পরিষেবা শেষ করে সেগুলি রাতেই সীমানা পেরিয়ে হিমাচলে ফিরে আসবে। প্রয়োজনে বেশ কয়েকটি রুট সাময়িক বাতিল করা হবে বলেও রবিবার হুমকি দিয়েছেন হিমাচল প্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী তথা পরিবহণমন্ত্রী মুকেশ অগ্নিহোত্রী।
শুক্রবার রাতে অমৃতসর বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়েছিল হিমাচলের রাষ্ট্রায়ত্ত পরিবহণ সংস্থা এইচআরটিসি-র একটি বাস। সেটির উইন্ডশিল্ড ভেঙে দেয় অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা। অন্য বাসগুলিতে আবার ভাঙচুরের পাশাপাশি খালিস্তানি স্লোগান লিখে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে মুকেশ অগ্নিহোত্রী বলেন, ‘পাঞ্জাবের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সঙ্গে এইচআরটিসির কোনও যোগ নেই। তাই আমাদের বাসগুলিতে হামলা ঠিক নয়। এগুলি রাজ্যের সম্পত্তি। এই নিয়ে পাঞ্জাবের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন আমাদের রাজ্যের ডিজি। কর্মী ও যাত্রীদের নিরাপত্তাই আমাদের অগ্রাধিকার।’ পাঞ্জাবের খেরারে গত মঙ্গলবার চণ্ডীগড়-হামিরপুর রুটের একটি বাসে ভাঙচুর চালায় একদল দুষ্কৃতী। এর প্রতিবাদে বুধবারই ১০টি রুটে পরিষেবা বন্ধ করে এইচআরটিসি। মোহালিতে এই নিয়ে এফআইআর দায়ের হয়। ঘটনায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।