Bartaman Logo
২৮ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পুকুরে ইলিশ চাষ, শেষ পর্যায়ের কাজ শুরু, কাকদ্বীপের মৎস্য গবেষণাকেন্দ্র

পুকুরে ইলিশ চাষের পঞ্চম ধাপ পর্যন্ত পৌঁছনো সম্ভব করে ফেললেন গবেষকরা। পেলেন সাফল্যও। এবারে শেষ অর্থাৎ ষষ্ঠ পর্যায়ের গবেষণা শুরু করল কাকদ্বীপের কেন্দ্রীয় নোনা জলজীব পালন অনুসন্ধান সংস্থা।

পুকুরে ইলিশ চাষ, শেষ পর্যায়ের কাজ শুরু, কাকদ্বীপের মৎস্য গবেষণাকেন্দ্র
  • ২৮ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ : পুকুরে ইলিশ চাষের পঞ্চম ধাপ পর্যন্ত পৌঁছনো সম্ভব করে ফেললেন গবেষকরা। পেলেন সাফল্যও। এবারে শেষ অর্থাৎ ষষ্ঠ পর্যায়ের গবেষণা শুরু করল কাকদ্বীপের কেন্দ্রীয় নোনা জলজীব পালন অনুসন্ধান সংস্থা। এই ধাপের গবেষণায় সাফল্য মিললে ভবিষ্যতে ব্যক্তিগত পুকুরে ইলিশ চাষ সম্ভব হবে। তারপর সে ইলিশ পৌঁছবে বাজারে। কিনতে পারবে মানুষ।

Advertisement

শনিবার শেষধাপের গবেষণার জন্য কাকদ্বীপের মৎস্য গবেষণাকেন্দ্রে অত্যাধুনিক স্যালিনিটি গ্রেডিয়েন্ট রিসার্কুলেটরি অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেমের (আরএএস) উদ্বোধন হয়েছে। সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন আইসিএআর-সিবার অধিকর্তা ডঃ কুলদীপ কে লাল ও কাকদ্বীপ গবেষণাকেন্দ্রের প্রধান ডঃ দেবাশীষ দে।
জানা গিয়েছে, দীর্ঘ দশবছর ধরে কাকদ্বীপের মৎস্য গবেষণাকেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা পুকুরে ইলিশ চাষের পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়েছেন। দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে পৌঁছেছেন পঞ্চম ধাপে। পুকুরে চাষ করে মাছের ওজন বাড়িয়েছেন। বর্তমানে পুকুরে চাষ করে ৯৮২ গ্রাম ওজনের ইলিশ তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। এবার ডিম থেকে বাচ্চা তৈরির প্রক্রিয়া সাফল্য পেলে নজির তৈরি হবে বিশ্বজুড়ে। সেই প্রক্রিয়াতে সাফল্য পেতে শেষধাপের গবেষণা শুরু করেছেন বিজ্ঞানীরা। 
এই পুরো প্রক্রিয়া ইলিশের স্বাভাবিক পরিযায়ী পরিবেশের অনুকরণে তৈরি করা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে এটি ভবিষ্যতে ইলিশের কৃত্রিম প্রজননে যুগান্তকারী সাফল্য এনে দিতে পারে। এমনকি ইলিশের সংরক্ষণ ও চাষের নতুন দিগন্তের উন্মোচন হতে পারে। প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নতুন গবেষণা প্রকল্পটি নির্মাণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় নোনা জলজীব পালন অনুসন্ধান সংস্থার কাকদ্বীপ শাখার অধ্যক্ষ ও ইলিশ গবেষণার মুখ্য বিজ্ঞানী ডঃ দেবাশীষ দে বলেন, ‘পরিবেশগতভাবে একাধিক পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে প্রকল্প এগিয়ে নিয়ে যাওয়া চলছে। যেমন তিনটি পাতকুয়োয় তিন রকমের জল রাখা। বৈদ্যুতিক পাম্পের মাধ্যমে সেই জলে কৃত্রিম ঘূর্ণি তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া জলের উষ্ণতা, দূষণ ও স্রোত নিয়ন্ত্রণ করে ইলিশের পোনা ছাড়া হচ্ছে। 
এই গবেষণার ক্ষেত্রে প্রায় একবছর একনাগারে নজরদারির প্রয়োজন।’ -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ