নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এবার হাইকোর্টের কর্মীদের শাসানি দিয়ে প্রয়োজনীয় নথি ছাড়াই মামলা রুজু করার অভিযোগ উঠল অর্জুন সিংয়ের আইনজীবীদের বিরুদ্ধে। সিআইডি তলবের প্রেক্ষিতে রক্ষাকবচের আর্জি জানিয়ে মঙ্গলবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন বারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। তাঁকে সার্টিফায়েড কপি ছাড়া মামলা দায়েরের অনুমতি দেয় বেঞ্চ। সেক্ষেত্রে শর্ত ছিল সিঙ্গল বেঞ্চের (যে নির্দেশের প্রেক্ষিতে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা হচ্ছে) নির্দেশের সার্ভার কপি সহ মামলা দায়ের করতে হবে। কিন্তু ওই সার্ভার কপি ছাড়াই মামলা দায়ের করতে যান অর্জুনের আইনজীবীরা। মামলাটি গ্রহণ করতে অস্বীকার করায় হাইকোর্টের কর্মীদেরই তাঁরা শাসানি দেয় বলে অভিযোগ।
Advertisement
বুধবার বিষয়টি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন খোদ প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। অর্জুনের আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্যের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আপনার জুনিয়ররা কর্মীদের শাসানি দিয়ে সার্ভার কপি ছাড়াই মামলা দায়ের করছেন। এটা কী পদ্ধতি? এটা গ্রহণযোগ্য?’ এরপরই জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানি খারিজ করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। ১৯ নভেম্বর মামলাটির শুনানি। সেইসঙ্গে রাজ্যকে মৌখিক ভাবে প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, ওই দিন পর্যন্ত অর্জুনের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। যদিও মামলাটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
পুর দুর্নীতি মামলায় উপ নির্বাচনের ঠিক আগের দিন অর্জুনকে ভবানীভবনে হাজিরার দিতে বলে নোটিস পাঠিয়েছিল সিআইডি। সেই নোটিস চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। মামলার প্রেক্ষিতে আদালত জানিয়েছিল, উপ নির্বাচনের আগে নয় তার পরে অর্জুনকে হাজিরা দিতে হবে। তাঁকে চার ঘন্টার বেশি জেরা করতে পারবে না রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার কর্তারা। হাজিরার নির্দেশ দিলেও অর্জুনকে কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি সিঙ্গল বেঞ্চ। এই অবস্থায় তাই রক্ষাকবচের আর্জি নিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি।
পুর দুর্নীতি মামলায় উপ নির্বাচনের ঠিক আগের দিন অর্জুনকে ভবানীভবনে হাজিরার দিতে বলে নোটিস পাঠিয়েছিল সিআইডি। সেই নোটিস চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। মামলার প্রেক্ষিতে আদালত জানিয়েছিল, উপ নির্বাচনের আগে নয় তার পরে অর্জুনকে হাজিরা দিতে হবে। তাঁকে চার ঘন্টার বেশি জেরা করতে পারবে না রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার কর্তারা। হাজিরার নির্দেশ দিলেও অর্জুনকে কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি সিঙ্গল বেঞ্চ। এই অবস্থায় তাই রক্ষাকবচের আর্জি নিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি।



