


নৈনিতাল: ভ্যাকসিন সংক্রান্ত গবেষণারত অভিযুক্ত। তাঁর হাজতবাসে গবেষণার ক্ষতি হবে। এই যুক্তিতে সোমবার স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্ররোচনায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাবাসের আসামী বিজ্ঞানী আকাশ যাদবের সাজা খারিজ করল উত্তরাখণ্ড হাইকোর্ট। তাঁকে কাজে যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বৃহত্তর জনস্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে বিচারপতি রবীন্দ্র মৈথানির বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, আকাশ সক্রিয়ভাবে ভ্যাকসিন গবেষণা এবং উৎপাদনের কাজে যুক্ত। সমাজে গবেষণা অন্যতর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জেলে কাটাতে হলে তিনি কর্তব্য পালন করতে পারবেন না।
আইআইটি খড়্গপুর থেকে বায়োটেকনোলজিতে পিএইচডি করেছিলেন আকাশ যাদব। ২০১৫ সালে তাঁর স্ত্রী আত্মঘাতী হন। ডাউরি প্রহিবিশন অ্যাক্ট, পণের জেরে আত্মহত্যা এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। রুদ্রপুরের নিম্ন আদালত পণ সংক্রান্ত অভিযোগ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেয়। তবে স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন তিনি। পাঁচ বছরের জেলও হয়। আগেই তাঁকে জামিন দিয়েছিল হাইকোর্ট। তবে নিম্ন আদালতের রায় খারিজের আবেদন করেছিলেন আকাশ। বর্তমানে তিনি ইন্ডিয়ান ইমিউনোলজিক্যালস লিমিটেড সংস্থায় ভ্যাকসিন সংক্রান্ত গবেষণায় যুক্ত রয়েছেন। তিনি জানিয়েছিলেন, নিম্ন আদালতের রায় কার্যকর হলে গবেষণার কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।