Bartaman Logo
১২ আগস্ট, ২০২৬

ঝাড়খণ্ডে বিতর্কিত পরীক্ষা বাতিল করতে রাজি হেমন্ত

ছাত্র বিক্ষোভের আঁচে উত্তপ্ত ঝাড়খণ্ড বিধানসভার অধিবেশনও। ছাত্রদের উপর লাঠিচার্জের প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিজেপি বিধায়কদের বিক্ষোভের জেরে দফায় দফায় স্থগিত হল অধিবেশন।

ঝাড়খণ্ডে বিতর্কিত পরীক্ষা বাতিল করতে রাজি হেমন্ত
  • ১২ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

রাঁচি: ছাত্র বিক্ষোভের আঁচে উত্তপ্ত ঝাড়খণ্ড বিধানসভার অধিবেশনও। ছাত্রদের উপর লাঠিচার্জের প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিজেপি বিধায়কদের বিক্ষোভের জেরে দফায় দফায় স্থগিত হল অধিবেশন। শেষপর্যন্ত একদিন আগেই অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য অধিবেশন  মুলতুবি করে দিলেন স্পিকার রবীন্দ্রনাথ মাহাত। অন্যদিকে এদিনই বিতর্কিত জেপিএসসি (ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন) পরীক্ষাগুলি বাতিল করতে সরকার রাজি বলে  ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। পরীক্ষার আয়োজনকারী সংস্থার বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ গ্রহণের কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। এমনকি, আইআইটি ও আইআইএমের সাহায্যে পরীক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কারেরও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। 

Advertisement

এদিন অধিবেশনের শুরু থেকেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। সোমবারের ছাত্র বিক্ষোভে লাঠিচার্জের প্রতিবাদে ওয়েলেও নেমে পড়েন তাঁরা। কংগ্রেস বিধায়ক প্রদীপ যাদব অভিযোগ করেন, ছাত্রদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে মিশে অশান্তি পাকিয়েছে বিজেপির ছত্রছায়ায় থাকা দুষ্কৃতীরা। এরপরেই আরো বৃদ্ধি পায় উত্তেজনা। তুমুল হইহট্টগোলের মধ্যেই এদিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন জানিয়েছেন, নিয়োগ পরীক্ষায় দুর্নীতির তদন্ত করছে সিআইডি। পড়ুয়াদের যাবতীয় সংস্কারের দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে পড়ুয়াদের উপর লাঠিচার্জের প্রতিবাদে এদিন ১১ ঘণ্টা ঝাড়খণ্ড বন্ধের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। পাশাপাশি ঝাড়খণ্ড বিধানসভা অভিযানের ডাক দিয়েছিল এবিভিপি। সংগঠনের এক নেতা বলেন, ‘যুবসমাজের কণ্ঠরোধ করা যাবে না। প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ করলে লাঠিচার্জ করা হয়েছে। এটা কেমন ন্যায়? সিবিআই তদন্ত করতেই হবে।’ দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে পুলিশ ও গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা। কাঁদানে গ্যাসের পাশাপাশি ব্যবহার করা হয় জলকামানও। বহু এবিভিপি কর্মীকে আটক করা হয়। পালটা পুলিশের গাড়িও আটকে দেয় একদল এবিভিপি সমর্থক। রাস্তায় শুয়ে ও গাড়ির উপরে উঠে দেখানো হয় বিক্ষোভ। তাঁদের টেনে হিঁচড়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ। এসপি পরশ রানা জানিয়েছেন, ‘১১০ জন এবিভিপি কর্মীকে আটক করা হলেও তাঁদের কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।’ 
এরইমধ্যে কংগ্রেস নেত্রী সুপ্রিয়া শ্রীনেতের অভিযোগ, রাঁচির বিক্ষোভে বাংলা থেকে লোক পাঠিয়েছে বিজেপি। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি একটি  ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন।  যেখানে কয়েকজন যুবককে বলতে শোনা যাচ্ছে, প্রতিবাদে যোগ দিতে ১০-১৫টি গাড়িতে করে তাঁদের পাঠিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। তাঁদের টাকাও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোন প্রতিবাদ? সে বিষয়ে কিছই জানেন না তাঁরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ