সমৃদ্ধ দত্ত, নয়াদিল্লি: ২০২৬ সালের বাদল অধিবেশন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষে ভুলে যাওয়া সম্ভব হবে না। সংসদের অধিবেশনে বিরোধীদের হইচই, সংসদীয় কাজে বাধাদান এসবই সংসদীয় রাজনীতির অঙ্গ। চিরকালই হয়েছে। বিরোধীপক্ষের প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও অতীতে একের পর এক বিতর্কিত বিলও পাশ করিয়ে নিয়েছে সরকার। কিন্তু সংখ্যাধিক্যের শক্তিমান বিজেপি একটি অধিবেশন চলাকালীন বারংবার নানা ইস্যুতে পিছু হটছে, এরকম বেনজির। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন সংশোধনী বিল (এফসিআরএ)। ডিলিমিটেশন বিল, মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী বিল পেশ করার প্রবল ইচ্ছা এবং প্রয়াস থাকা সত্ত্বেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা কোনওভাবেই জোগাড় করা নিশ্চিত না হওয়ায় ওই বিল আপাতত ঠান্ডাঘরে পাঠানো হয়েছে। ধর্মেন্দ্র প্রধানকে নিট বিতর্কে ইস্তফা দিতে হয়েছে। এবার এফসিআরএ বিল পাশ করিয়ে একের পর এক ব্যাকফুটে চলে যাওয়ার পর মুখরক্ষা করা যাবে ভেবেছিল সরকার। কিন্তু সেই বিলও পাশ করানো হবে না। লোকসভায় ওই বিল পেশ করে সেটি যৌথ সংসদীয় কমিটির কাছে পাঠাতে চাইছে সরকার। সেইমতোই বিরোধীদের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যদিও বিরোধী জোট চাইছে এই বিতর্কিত বিল প্রত্যাহার করা হোক। অন্যদিকে, সরকার বনাম বিরোধীদের চাপানউতোর আরও তীব্র হল সংসদের মধ্যে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বরে সরকার-বিরোধী, দু পক্ষের বিক্ষোভ প্রদর্শনে হুলুস্থূল কাণ্ড! সামাল দিতে হিমশিম সিআইএসএফের নিরাপত্তাকর্মীরা। পুরনো সংসদ ভবনের প্রধান ফটকের সামনে উভয়ের হাতেই প্লাকার্ড। একটিতে লেখা রাহুল গান্ধী মাফি মাঙ্গো। অন্যটিতে বিরোধীদের—অমিত শাহ সদন আও। উভয়পক্ষের স্লোগানে সরগরম সংসদ চত্বর।



