Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

ফের মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যয় কাশ্মীরে, বৈষ্ণোদেবীর যাত্রাপথে ধস নেমে মৃত ৩১, ডোডায় হড়পা বানে প্রাণ গেল ৪ জনের, উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী ওমর

লাগাতার বৃষ্টিতে বিধ্বস্ত কাশ্মীর। মঙ্গলবার সকালে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বানে বিপর্যয় ডোডা জেলায়। মৃত্যু হল চারজনের। এদিনই দুপুরে ধস নামে বৈষ্ণোদেবীর যাত্রাপথে।

ফের মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যয় কাশ্মীরে, বৈষ্ণোদেবীর যাত্রাপথে ধস নেমে মৃত ৩১, ডোডায় হড়পা বানে প্রাণ গেল ৪ জনের, উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী ওমর
  • ২৭ আগস্ট, ২০২৫ ০৮:০৮
Prefer us on Google

শ্রীনগর: লাগাতার বৃষ্টিতে বিধ্বস্ত কাশ্মীর। মঙ্গলবার সকালে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বানে বিপর্যয় ডোডা জেলায়। মৃত্যু হল চারজনের। এদিনই দুপুরে ধস নামে বৈষ্ণোদেবীর যাত্রাপথে। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার অর্ধকুয়ারিতে ইন্দ্রপ্রস্থ ভোজনালয়ের কাছে আচমকা ধস নামে। ঘটনার সময় বেশ কয়েকজন তীর্থযাত্রী সেখানে ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত বেশ কয়েকজন। আপাতত যাত্রা স্থগিত রেখে চলছে উদ্ধারকাজ।  

Advertisement

অন্যদিকে, মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিধ্বস্ত কাশ্মীরের ডোডা জেলা। হড়পা বানে ভেসে যায় ডোডার একাধিক ঘরবাড়ি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত চারজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এখনও নিখোঁজ বহু। লাগাতার বৃষ্টিতে জেরবার জম্মুও। এখানেও বৃষ্টিজনিত দুর্ঘটনার কারণে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। ভেসে গিয়েছে অন্তত ১৫টি বাড়ি। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ব্রিজ ভেঙে পড়ায় বিপত্তি আরও বেড়েছে। উপত্যকার এহেন বিপর্যয়ে উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। মঙ্গলবার প্রশাসনিক বৈঠকে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। বলেন, জম্মুর পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। ব্যক্তিগতভাবে গোটা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কথা জানিয়েছেন আবদুল্লা। পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্তাদের সবসময় সতর্ক থাকার নির্দেশও দিয়েছেন। জম্মুর বিভিন্ন জেলায় সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। বাসিন্দাদের ধসপ্রবণ এলাকা থেকে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।  
জানা গিয়েছে কিস্তওয়ার, কাঠুয়া, ডোডা সহ কাশ্মীরের একাধিক জেলায় আগে থেকেই ফের ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি ছিল। বিপদের পূর্বাভাস সত্যি করে মঙ্গলবার মেঘবৃষ্টিতে বিধ্বস্ত হয় ডোডা। এদিন ভূমিধসের আশঙ্কায় বন্ধ করে দেওয়া হয় জম্মু-শ্রীনগর এবং কিস্তওয়ার-ডোডা জাতীয় সড়ক। পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় উপত্যকায় জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। অন্যদিকে, বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে কাশ্মীরের একাধিক নদীর জল। এরইমধ্যে বৃষ্টি চলতে থাকলে বিপদ আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা প্রশাসন। মঙ্গলবার সকালে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে কাশ্মীরের কাঠুয়ায় (১৫৫.৬ মিলিমিটার) এরপরই রয়েছে ডোডা (৯৯.৮ মিলিমিটার) এবং জম্মু (৮১.৫ মিলিমিটার)। আবহাওয়া দপ্তর জম্মু, সাম্বা, কাঠুয়া, রিয়াসি, উদমপুর, রাজৌরি, রামবান, ডোডা এবং কিস্তওয়ার জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের  পূর্বাভাস দিয়েছে। এরফলে বন্যা ও ধসের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সম্পর্কিত সংবাদ