বিশেষ সংবাদদাতা, শ্রীনগর: কিস্তওয়ারের পর এবার কাঠুয়া। মেঘভাঙা বৃষ্টিতে রবিবার প্রাণ হারালেন জম্মু ও কাশ্মীরের সাতজন। তাঁদের মধ্যে চারজন শিশু ও দু’জন মহিলা। পাশাপাশি আহতও হয়েছেন প্রায় ছ’জন।
বিশেষ সংবাদদাতা, শ্রীনগর: কিস্তওয়ারের পর এবার কাঠুয়া। মেঘভাঙা বৃষ্টিতে রবিবার প্রাণ হারালেন জম্মু ও কাশ্মীরের সাতজন। তাঁদের মধ্যে চারজন শিশু ও দু’জন মহিলা। পাশাপাশি আহতও হয়েছেন প্রায় ছ’জন।
কয়েকদিন আগেই মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল জম্মু ও কাশ্মীরের কিস্তওয়ার। বিপর্যয়ে প্রাণ গিয়েছিল ৬৫ জনের। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে কাঠুয়া জেলার প্রত্যন্ত গ্রামে মেঘভাঙা বৃষ্টি। শনিবার মধ্যরাত থেকেই বৃষ্টিপাত শুরু হয়। রাজবাগ ও জঙ্গলোটের গ্রামে পৃথক দুর্ঘটনায় মৃত মোট সাতজন। জানা গিয়েছে, জোধঘাটিতে পাঁচজন নিহত। এবং জঙ্গলোটে ভূমিধসের জেরে দু’জন নিহত হয়েছেন। পুলিস ও এসডিআরএফ যৌথভাবে উদ্ধার কাজে হাত লাগিয়েছেন। চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। আহত ছ’জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃষ্টিপাতের জেরে গ্রামের একাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত। ক্ষতি হয়েছে রাস্তাঘাটেরও। জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা ও মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংও টুইটে জানিয়েছেন, সামরিক বাহিনী ও আধা সামরিক বাহিনী কাজ চালাচ্ছে। ঘটনার দিকে নজর রাখা হয়েছে। রাজবাগ থানার পুলিস আধিকারিক অজয় সিং জানিয়েছেন, ভোর সাড়ে তিনটে থেকে ৪টের মধ্যে ঘটনাটি ঘটে। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। ডিভিশনাল কমিশানর রমেশ কুমার জানিয়েছেন, শনিবার রাত থেকেই কাঠুয়ায় অবিশ্রান্ত বর্ষণ হচ্ছে। এর জেরেই এই হড়পা বান।
এদিকে, মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচলের মাণ্ডিও। জেলার টাকোলি এলাকায় রবিবার ভোরে মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়। জলের স্রোতে কিরাতপুর-মানালি জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি সিমলা-মাণ্ডি হাইওয়ের বড় অংশ ভেঙে সুতলেজ নদীতে ডুবে গিয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর নেই। বহু বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত।