নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যুবভারতীতে আল আরবির অনুশীলনের শুরুতেই ঝেঁপে বৃষ্টি শুরু। ভারী মাঠে বিদ্যুৎ গতিতে ছিটকে আসছে বল। ঠিকঠাক রিসিভ করাই সমস্যার। বুধবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল। প্যাচপ্যাচে আর্দ্রতা তো রয়েইছে। ইস্ট বেঙ্গলের পাশাপাশি খামখেয়ালি আবহাওয়া নিয়েও ভাবতে হচ্ছে জাইদ কুনবারদের। কুয়েতের দলটির কোচ সার্বিয়ান গোরান সিবলিচ। দ্রুতগতির পাসিং ফুটবল খেলতে অভ্যস্ত তারা। কিন্তু বৃষ্টি হলে তাল কাটতেই পারে। ভারতীয় দলের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচের সতীর্থ ছিলেন গোরান। কথা বলেন মেপে। জানালেন, ‘স্টিমাচের পরামর্শ নিয়েই ভারতে এসেছি। ইস্ট বেঙ্গল ম্যাচ মোটেও সহজ হবে না। তবে আমরা তৈরি। প্রতিপক্ষকে বশ মানানোর ফর্মুলা অজানা নয়।’
এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আগে তুরস্কে তিন সপ্তাহের প্রি-সিজন সেরেছে গোরানের দল। টগবগে ৬ বিদেশি বড়ো ভরসা। ইথিওপিয়ার কিনান মালেকো দলের প্লে-মেকার। মার্ক না করলে যে কোনো রক্ষণকে ছারখার করার ক্ষমতা রাখেন। ওমান লিগে ঝড় তুলে আল আরবিতে সই করেছেন তিনি। নাইজেরিয়ার উইঙ্গার কাম ফরোয়ার্ড ইবালার অভিজ্ঞতা রয়েছে চিনে খেলার। দ্রুতগামী এই ফুটবলারকে রোখার পরিকল্পনা তৈরি না রাখলে মুশকিল। ইবালা বললেন, ‘কোচের নির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। গেমপ্ল্যান অনুযায়ী খেলতে হবে।’ আল আরবি ফুটবলাররা দীর্ঘদেহী। উচ্চতা কাজে লাগিয়ে ডেড বল মুভমেন্টের সময় চাপে ফেলতে চাইবেন আনোয়ারদের। পাশাপাশি উইং প্লে কাজে লাগিয়ে দ্রুত লক্ষ্যভেদে নজর থাকবে গোরান ব্রিগেডের। অ্যাওয়ে যুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গলকে টেক্কা দিয়ে মূলপর্বে পৌঁছাতে তৈরি তারা।