নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: শিক্ষক, পাড়া প্রতিবেশীদের সক্রিয় ভূমিকা ও সচেতনতার কারণেই গত ছ’মাসে প্রায় শ’খানেক বাল্যবিবাহ রুখে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি ঘটনায় বিয়ে হলেও সেই নাবালিকাকে উদ্ধার করে এনেছে জেলা প্রশাসন। তাদের কাউন্সেলিং করিয়ে মূল স্রোতে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। এখানেই শেষ নয়, যাদের বিয়ে আটকানো গিয়েছে বা উদ্ধার করে আনা হয়েছে, তাদের উপর কড়া নজর রাখছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। যাতে পরিবারগুলি গোপনে ফের তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করতে না পারে।
Advertisement
জেলা সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যানিং, বাসন্তী, কুলতলি, জয়নগর ২ নম্বর ব্লকে বাল্যবিবাহের ঘটনা বেশি। নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দপ্তরের নয়া পোর্টাল চালু হওয়ার পর এই সামাজিক ব্যাধি রুখতে অনেক বেশি সফল হয়েছে প্রশাসন। জেলার যে কোনও থানা এলাকা থেকে বাল্যবিবাহের অভিযোগ এলেই তা উঠে যাচ্ছে পোর্টালে। সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করছেন আধিকারিকরা। এ ব্যাপারে নজরদারি অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে বলে তাঁদের অভিমত।
বাল্যবিবাহের খবর পেলেই সচেতন গ্রামবাসীরা খবর দিচ্ছেন থানায় বা সরকারি অফিসে। প্রাথমিকভাবে তাঁরাই খবরের সোর্স। আবার কোনও ছাত্রী টানা কয়েকদিন স্কুলে না এলে শিক্ষক-শিক্ষিকারা খোঁজ নিতে ছুটছেন তাঁদের বাড়িতে। সেই ছাত্রীদের বিয়ে ঠিক হয়েছে বা কথা চলছে, এমন খবর কানে এলেই সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করছেন পুলিস বা ব্লক প্রশাসনকে। এর বাইরেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ছাত্রী নিজেই ফোন করে বিয়ে বন্ধ করেছে। প্রশাসনের এক শীর্ষকর্তা বলেন, বিয়ে আটকানোর পর সংশ্লিষ্ট নাবালিকা যতদিন না ১৮ বছর অতিক্রম করছে, ততদিন তার উপর নিয়মিত নজরদারি চালাবে ব্লক প্রশাসন।
সার্বিকভাবে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বাল্যবিবাহের হার আগের থেকে কিছুটা কমেছে বলে দাবি জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের। একটা সময় ছিল, যখন এই জেলায় বাল্যবিবাহের হার ছিল ৪৮ শতাংশ। এখন তা কমে ৪১ শতাংশ হয়েছে। যদিও এই হার অনেকটাই বেশি বলে মনে করছেন প্রশাসনের কর্তারা। তবে এই প্রবণতা যাতে কমানো যায়, সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে ব্লকগুলি।
বাল্যবিবাহের খবর পেলেই সচেতন গ্রামবাসীরা খবর দিচ্ছেন থানায় বা সরকারি অফিসে। প্রাথমিকভাবে তাঁরাই খবরের সোর্স। আবার কোনও ছাত্রী টানা কয়েকদিন স্কুলে না এলে শিক্ষক-শিক্ষিকারা খোঁজ নিতে ছুটছেন তাঁদের বাড়িতে। সেই ছাত্রীদের বিয়ে ঠিক হয়েছে বা কথা চলছে, এমন খবর কানে এলেই সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করছেন পুলিস বা ব্লক প্রশাসনকে। এর বাইরেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ছাত্রী নিজেই ফোন করে বিয়ে বন্ধ করেছে। প্রশাসনের এক শীর্ষকর্তা বলেন, বিয়ে আটকানোর পর সংশ্লিষ্ট নাবালিকা যতদিন না ১৮ বছর অতিক্রম করছে, ততদিন তার উপর নিয়মিত নজরদারি চালাবে ব্লক প্রশাসন।
সার্বিকভাবে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বাল্যবিবাহের হার আগের থেকে কিছুটা কমেছে বলে দাবি জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের। একটা সময় ছিল, যখন এই জেলায় বাল্যবিবাহের হার ছিল ৪৮ শতাংশ। এখন তা কমে ৪১ শতাংশ হয়েছে। যদিও এই হার অনেকটাই বেশি বলে মনে করছেন প্রশাসনের কর্তারা। তবে এই প্রবণতা যাতে কমানো যায়, সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে ব্লকগুলি।



