ওয়াশিংটন: জন টেরি রজার্স কোচ বা তারকা ফুটবলার নন। কাজও করেন নেপথ্যে, নিঃশব্দে। অনেকে হয়তো তাঁর নামও শোনেননি। কিন্তু আসন্ন বিশ্বকাপে রজার্সের ভূমিকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। আমেরিকা, মেক্সিকো, কানাডার ১৬টি স্টেডিয়ামের মাঠ তৈরির দায়িত্বে রয়েছেন রজার্সই। মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ্রাস গুরু’ রীতিমতো আপ্লুত। তাঁর মন্তব্য, ‘টার্ফ নয়, ঘাসের মাঠই ফিফার পছন্দ। তার উপর বিশ্বকাপে সেরা ফুটবলাররা অংশ নেবেন। আশা করি, মাঠ নিয়ে কোনো অভিযোগ থাকবে না ফুটবলারদের।’
দু’বছর আগে কোপা আমেরিকা অনুষ্ঠিত হয়েছিল আমেরিকায়। ফিফা কর্তাদের কাছে সেটাই ছিল বিশ্বকাপের ট্রায়াল। কিন্তু মাঠের অবস্থা দেখে একেবারেই খুশি হয়নি বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা। অসন্তোষ প্রকাশ করে আর্জেন্তিনা সহ একাধিক দল। মাঠের হাল ফেরাতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় দায়িত্ব দেওয়া হয় রজার্সকে। একই সঙ্গে তিনটি দেশে বিশ্বকাপ। কোথাও চড়া গরম। জল না পেলে ঘাস শুকিয়ে কাঠ। কোথাও বা আবহাওয়া বেশ ঠান্ডা। পরিকল্পনার ব্লু প্রিন্ট সাজিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে টিম রজার্স। জানা গিয়েছে, বারমুডা ঘাস ছাড়াও কেনটাকি ব্লু গ্রাস ব্যবহার করা হয়েছে। সমস্যা আরও আছে। আমেরিকায় বেসবল প্রবল জনপ্রিয়। কানসাস সিটিতে ফুলসাইজ ফুটবল মাঠ পেতে ভাঙতে হয় গ্যালারির র্যাম্পও। সবমিলিয়ে মাঠে বল গড়ানোর আগে বেশ চিন্তায় রজার্স। মেসি, নেইমাররা লড়বেন সবুজ মখমলে। আর সেই মাঠই এখন রজার্সের অ্যাসিড টেস্ট।