কমেছে দাম, থাকছে মজুরিতে ছাড়ের অফার, ধনতেরসে বিক্রি বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখছেন মালদহের স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা
  • ৫ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মালদহ:  ধনতেরসে সোনা রুপোর মতো দামি ধাতু কেনার প্রবণতা অনেকটাই বেড়েছে। কিন্তু সাধ ও সাধ্যের মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আকাশছোঁয়া মূল্য। তার প্রভাব পড়েছে ধনতেরসের বাজারেও। কিন্তু এবার সোনা ও রুপোর মূল্য কিছুটা কমায় আশায় বুক বাঁধছেন মালদহের স্বর্ণ ও রৌপ্য ব্যবসায়ীরা। তবে সব ধরনের ক্রেতাদের টানতে এবার যথাসম্ভব কম দামে কম ওজনের সোনা রুপো দিয়ে গয়না ছাড়াও অন্য বেশ কিছু সামগ্রী হাজির করছেন তাঁরা।

Advertisement

মালদহের সোনার দোকানগুলি থেকে জানা গিয়েছে এখন প্রতি ১০ গ্রাম সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকায়। সম্প্রতি গয়না তৈরির জন্য প্রয়োজন ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ১০ হাজার টাকার মতো কমেছে। পাশাপাশি কমেছে রুপোর দামও। মালদহের অলঙ্কার বিক্রির দোকানগুলিতে রুপোর দর যাচ্ছে প্রতি কেজি প্রায় ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। দাম কিছুটা হ্রাস পাওয়ায় এবার ধনতেরসে ক্রেতার সংখ্যা গতবারের তুলনায় বেশ কিছুটা বাড়তে পারে বলে মনে করছেন স্বর্ণ ও রৌপ্য ব্যবসায়ীরা।
মালদহের স্বর্ণ ব্যবসায়ী উজ্জ্বলকুমার সরকার বলেন, আমরা আশাবাদী ধনতেরসে এবার আমাদের বিক্রি বেশ খানিকটা বাড়বে। কারণ, দাম বেশ কিছুটা কমেছে। প্রয়োজনে আমাদের অনেকেই কম ওজনের সোনা বা রুপো দিয়ে সুদৃশ্য অলংকার এবং কয়েনের মতো সামগ্রী তৈরি করছেন।
অন্যদিকে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের একাংশ বলেন, সোনার মতোই ধনতেরাসে রুপোর চাহিদাও থাকে যথেষ্ট। তাই রুপোর বিভিন্ন ধরনের অলংকার, কয়েন ইত্যাদিও তৈরি করে রাখা হয়েছে।
এর পাশাপাশি ধনতেরসে সোনা ও রুপোর গয়না তৈরির মজুরিতেও বেশ কিছুটা ছাড় দিচ্ছেন অনেক ব্যবসায়ীই। মজুরিতে ছাড় দেওয়ায় ক্রেতারা অনেকেই নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী সোনা বা রুপোর গয়না কিনবেন বলে মনে করছেন অলংকার ব্যবসায়ীরা।
মালদহ শহরের এক গৃহবধূ রীতা আগরওয়াল বলেন, ধনতেরসের সময় সোনা এবং রুপো কেনার প্রচলন আমাদের মতো অনেক পরিবারেই রয়েছে। এবারও ব্যতিক্রম হবে না। তবে দাম কিছুটা কমায় অবশ্যই স্বস্তি মিলেছে।