নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গল্ফগ্রিনের গ্রাহাম রোডে ময়লার স্তূপ থেকে শুক্রবার কাটামুণ্ড পাওয়া গিয়েছিল। শহরের অন্যতম অভিজাত অঞ্চলে এরকম ঘটনা ঘটায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল স্থানীয়দের মধ্যে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তাটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও ওই জায়গা নির্জন। একাধিক গাছ রয়েছে বলে আলো-আঁধারিতে ভরা। বাতিস্তম্ভের আলোতে অন্ধকার কাটে না। এবার সে সমস্যা কাটাতে উদ্যোগ নিল কলকাতা পুরসভা। সম্প্রতি ওই অঞ্চলের বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এই রাস্তা নিয়ে পুরসভার সঙ্গে আলোচনা করেন। তারপর ঠিক হয় রাস্তা আরও চওড়া হবে। সিসি ক্যামেরা বসবে। পর্যাপ্ত বাতিস্তম্ভও বসানো হবে।
Advertisement
উদয়শঙ্কর সরণি (১৭ নম্বর বাস স্ট্যান্ড) এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস রোডকে সংযুক্ত করেছে গ্রাহাম রোড। প্রায় দু’কিলোমিটার এই পথের পাশে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি আবাসন। গোটা রাস্তাজুড়ে প্রচুর গাছপালা। পথবাতি থাকা সত্ত্বেও রাস্তার বহু অংশ অন্ধকার হয়ে থাকে। একটি মাত্র সিসি ক্যামেরা আছে। সন্ধ্যার পর রাস্তাটি নির্জন হয়ে পড়ে। শুক্রবার সকালে এখানে আবর্জনার স্তূপ থেকে একটি কাটামুণ্ড উদ্ধার হয়। তারপর নড়েচড়ে বসে পুরসভা। এর আগে পুরসভার মাসিক অধিবেশনে এই রাস্তায় নোংরা-আবর্জনা জমে থাকা নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন ৯৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তপন দাশগুপ্ত। এরপর রাস্তার জঞ্জাল সাফ করেছে পুরসভা। এই জায়গাটি ৯৫ এবং ৯৭ নম্বর ওয়ার্ডের সীমানা অঞ্চল। সম্প্রতি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন বিধায়ক অরূপ বিশ্বাস। সঙ্গে ছিলেন পুরসভার কমিশনার ও সড়ক, আলো সহ ও একাধিক বিভাগের আধিকারিকরা। কাউন্সিলার তপন দাশগুপ্ত বলেন, ‘রাস্তাটি নির্জন। আবর্জনা জমে একপাশের পিচ উঠে গিয়েছে। ফলে সেভাবে কেউ যাতায়াত করে না। ঘটনার পর আবর্জনা তোলা হয়েছে। রাস্তার ওই অংশে পিচ দিয়ে চওড়া হবে পথ। ২৫টির মতো সিসি ক্যামেরা বসবে। কোথায় নতুন বাতিস্তম্ভ বসবে সেই জায়গা ঠিক হয়েছে।’
পুরসভার আলোক বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে প্রায় ১০টি বাতিস্তম্ভ রয়েছে। তা বাড়িয়ে ৩০টি করা হতে পারে।-নিজস্ব চিত্র
পুরসভার আলোক বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে প্রায় ১০টি বাতিস্তম্ভ রয়েছে। তা বাড়িয়ে ৩০টি করা হতে পারে।-নিজস্ব চিত্র



