রাস্তায় হাঁটছিল ছেলেটি। হনহন করে। স্কুলের তাড়া রয়েছে যে! হঠাৎ বখাটে ছেলেরা আক্রমণ করে বসল। কোনও কারণ ছাড়াই। ১২ বছরের ছেলেটিকে বেধড়ক মারধর করল ওরা। সেদিন মুখ বুজে সহ্য করেছিল সে। প্রতিবাদ করতে পারেনি। অতজনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ক্ষমতাও ছিল না তার। তবে এই ঘটনা পাল্টে দিয়েছিল ওই কিশোরকে। যিনি পরবর্তীতে হয়ে উঠবেন বিশ্বের অন্যতম সেরা মার্শাল আর্ট শিল্পী তথা অভিনেতা—ব্রুস লি। তাঁর বাবা লি হো-চুং ছিলেন অভিনেতা ও গায়ক। বাবা ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত থাকার সুবাদে মাত্র তিন মাস বয়সে ‘গোল্ডেন গেট গার্ল’ ছবিতে ব্রুসকে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল। জন্ম আমেরিকায় হলেও বেড়ে ওঠেন হংকংয়ের কাউলুনে। সেই হংকংই পরবর্তীতে হয়ে ওঠে তাঁর কর্মক্ষেত্র। ১২ বছর বয়সে তাঁর সঙ্গে ঘটা ওই অপ্রীতিকর ঘটনা পুরোপুরি বদলে দেয় ব্রুসকে। তিনি বোঝেন, আত্মরক্ষার কৌশল শিখতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে না পারলে বড় হওয়া যাবে না। এই উপলব্ধি থেকেই শুরু করেন মার্শাল আর্টের প্রশিক্ষণ নেওয়া। তখন তাঁর বয়স মাত্র ১৩ বছর।
Advertisement
মাস্টার ইপ ম্যানের কাছে উইং চুন স্টাইলের মার্শাল আর্টের প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করেন তিনি। প্রশিক্ষণে কখনও
কিছুর সঙ্গে আপোস করতেন না। মার্শাল আর্টের জন্য নিবেদিত প্রাণ ব্রুস একবার ভাইকে বলেছিলেন, ছুরিকাঘাত করতে। তাঁর ভাই রবার্ট লি তো দাদার কথা শুনে হতবাক। অনেক বোঝানোর পর ছুরি দিয়ে মারতে উদ্যত হয়েছিলেন রবার্ট। তবে তার জেরে কোনও বিপত্তি ঘটেনি। ছুরি ব্রুসের শরীরে আঘাত হানার আগেই সরে যেতে পেরেছিলেন। সফল হয়েছিল প্রশিক্ষণ।
কিছুর সঙ্গে আপোস করতেন না। মার্শাল আর্টের জন্য নিবেদিত প্রাণ ব্রুস একবার ভাইকে বলেছিলেন, ছুরিকাঘাত করতে। তাঁর ভাই রবার্ট লি তো দাদার কথা শুনে হতবাক। অনেক বোঝানোর পর ছুরি দিয়ে মারতে উদ্যত হয়েছিলেন রবার্ট। তবে তার জেরে কোনও বিপত্তি ঘটেনি। ছুরি ব্রুসের শরীরে আঘাত হানার আগেই সরে যেতে পেরেছিলেন। সফল হয়েছিল প্রশিক্ষণ।



