নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বারুইপুর থানায় মিসিংয়ের অভিযোগ জমা পড়ার চার ঘণ্টা পর জেনারেল ডায়েরি করা হল কেন, তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুধু তাই নয়, জিডি হওয়ার ১২ ঘণ্টা পরেই বা কেন এফআইআর, প্রশ্ন উঠেছে তা নিয়েও। এক্ষেত্রে বারুইপুর থানার গাফিলতির বিষয়টি সামনে চলে এসেছে। নিখোঁজের অভিযোগ হওয়ার পরেও পুলিশ বিশেষ গা লাগায়নি বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাচক্রে অভিযোগ জানানোর এক ঘন্টার মধ্যে খুন হয় ওই নাবালিকা। বারুইপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের কোথায় কোথায় গাফিলতি হয়েছে, তাই নিয়ে অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। আগামী শুক্রবার এই সংক্রান্ত রিপোর্ট ডিজি জমা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। রিপোর্টে যাঁদের গাফিলতি পাওয়া যাবে, তাঁদের বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে হবে বলে রাজ্য পুলিশ সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধানে জানা গিয়েছে, শনিবার রাত আটটা নাগাদ বারুইপুর থানায় পৌঁছন মিসিংয়ের অভিযোগ করে নাবালিকার পরিবার। নাবালিকার ছবিও দেওয়া হয়। কিন্তু পুলিশ বিষয়টি নিয়ে গা করেনি। এমনকি বারুইপুর থানার বড়বাবুকে জানানো হয়নি। রাত বারোটার সময় জেনারেল ডায়েরি করা হয়। আরও ১২ ঘণ্টা পর হয় এফআইআর। যদিও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশানুযায়ী, সঙ্গে সঙ্গে জেনারেল ডায়েরি এবং এফআইআর করতে হবে। কিন্তু বারুইপুরের ক্ষেত্রে শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশকে বুড়ে আঙুল দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ। থানার কোন আধিকারিকরা গাফিলতি করেছেন, তাঁদের চিহ্নিত করা গিয়েছে বলে সূত্রের খবর।



