Bartaman Logo
১৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দার্জিলিং থেকে শান্তিনিকেতন, বাজির বরাত আসে রায়দিঘির কানাইয়ের কাছে

ছিলেন বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মী। দাদার কাছে আতসবাজি তৈরির হাতেখড়ি। এখন ৭৫ বছরের কানাই বাউরের তৈরি বাজির চাহিদা রাজ্যজুড়ে।

দার্জিলিং থেকে শান্তিনিকেতন, বাজির বরাত আসে রায়দিঘির কানাইয়ের কাছে
  • ২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বারুইপুর: ছিলেন বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মী। দাদার কাছে আতসবাজি তৈরির হাতেখড়ি। এখন ৭৫ বছরের কানাই বাউরের তৈরি বাজির চাহিদা রাজ্যজুড়ে। পাটকাঠি, বারুদ, ইত্যাদি বাজি তৈরির উপকরণ নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছোটেন। শান্তিনিকেতনের পৌষ মেলাতে গিয়েছিলেন। কানাইয়ের আলোর বাজি সেখানে মন ভরিয়ে দিয়েছিল দর্শকদের। বারুইপুরের রক্ষাকালী পুজোতে তাঁর তৈরি কদমফুল বা রকেট কিংবা আকাশ চরকি হাঁ করে দেখেছে মানুষ।

Advertisement

রায়দিঘির খাঁড়ি এলাকার বাসিন্দা কানাইবাবু। পরিবারে আছেন স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে। ছেলে-মেয়েদের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। কানাইয়ের দাদা পরীক্ষিত বাউর হাতে ধরে আলোর বাজি তৈরি শিখিয়েছিলেন। এখন কানাইবাবুর বয়স হয়েছে। তবে কাজ থামাননি। চোখে চশমা পড়ে নিপুণ হাতে বাজি তৈরি করে যান। তিনি বলেন, আগে রংমশাল বা বোমা তৈরি করতাম। কিন্তু এখন আলোর বাজিই বানাই। পুজোপার্বণ, মেলা, ফুটবল প্রতিযোগিতায় আমার তৈরি বাজির চাহিদা আছে। এই সময় প্রচুর অর্ডার আসে। শান্তিনিকেতনে পৌষ মেলায় যে বাজি জ্বলেছে তার প্রশংসা করেছেন সবাই। দার্জিলিংয়েও প্রদর্শনীতে গিয়েছিলাম। এককালে অফিসের কাজের ফাঁকে বাজি বানাতাম। এখন এই এলাকায় বাজি কিনতে ভিড় করে আসেন সবাই। বারুইপুরের রেলগেট কালীতলায় রক্ষাকালী পুজোয় অনেক বছর ধরেই আমার বাজি ফাটে। রকেট বাজি আকাশে উঠে ফুলের মালার মত নীচে ঝরে পড়ে। আকাশ চরকিও দারুণ। আবার কদমফলের চাহিদাও বেশি। এখন বাজি তৈরির উপাদানের খরচ বেড়েছে তাই অন্য ধরনের বাজির চাহিদা থাকলেও তা আমি বানাতে পারছি না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ