সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে গত এক সপ্তাহে মোট পাঁচজন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। মহকুমা হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিন মহকুমা হাসপাতাল সহ ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যে সমস্ত জ্বরে আক্রান্ত রোগীরা আসছেন, তাঁদের ডেঙ্গু পরীক্ষা করানো হচ্ছে। এতে গড়ে প্রায় প্রতিদিন ডেঙ্গু আক্রান্তের সন্ধান মিলছে। যদিও এনিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে আসার পাশাপাশি সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতাল থেকে এদিনই এক সংকটাপন্ন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে সুস্থ করে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালের এইচডিইউ বিভাগে চিকিৎসাধীন ছিলেন ওই রোগী। তাঁর পা ফুলে গিয়েছিল। ছিল শ্বাসকষ্ট। মহকুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, এইচডিইউতে একজন মাত্র চিকিৎসক রয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী সহ হাসপাতালে সংকটাপন্ন কয়েকজন সাপে কামড়ানো রোগীকেও বাঁচিয়ে তোলা সম্ভব হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসক বদলির কারণে বিভিন্ন বিভাগে এমনিতে চিকিৎসক সমস্যা দেখা দিয়েছে। এরমধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিন্তায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সংকটাপন্ন হাজরাহাট-২ গ্রামপঞ্চায়েতের ভাঙামোড় এলাকার ওই গৃহবধূ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরায় খুশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। এদিন চিকিৎসকরা জানান, ওই গৃহবধূ জ্বরের চিকিৎসা করিয়েছিলেন। তিনি যখন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তখন তাঁর দুই পা ফুলে গিয়েছিল। শ্বাসকষ্ট ছিল। এইচডিইউ-তে ভর্তি করানোর পর তাঁকে সারাক্ষণ নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। ধীরে ধীরে তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, পরিকাঠামো সহ চিকিৎসক সংখ্যা যাতে ঠিক থাকে, তা নিয়ে স্বাস্থ্যদপ্তরে আবেদন করবেন তাঁরা।