সংবাদদাতা, বারুইপুর: গত শুক্রবার রাত ২টোয় বারুইপুর বাইপাসে খাসমল্লিক সংলগ্ন এলাকায় একটি স্কুটার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। মলয়কুমার দাস নামের এক ব্যক্তিকে হকির স্টিক, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধরের পর তাঁর স্কুটার ছিনতাই করা হয় বলে অভিযোগ। ওই রাতেই বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। শনিবার রাতে এসআই অর্ঘ্য মণ্ডলের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে। এরপর মল্লিকপুর থেকে পাঁচ দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। উদ্ধার হয় ছিনতাই হওয়া স্কুটারও। পুলিশের এই তৎপরতায় খুশি মলয়বাবু।
মলয়কুমার দাসের বাড়ি সোনারপুর থানার গোবিন্দপুর বাজার এলাকায়। সেদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাতে বিয়ে বাড়ি থেকে স্কুটারে করে বাড়ি ফিরছিলাম। সেই সময় বারুইপুর বাইপাসের খাসমল্লিকের কাছে আমার পথ আটকায় পাঁচ দুষ্কৃতী। তারা হকি স্টিক, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। আমি মাটিতে পড়ে গেলে স্কুটারের চাবি ছিনিয়ে নিয়ে ওরা চম্পট দেয়। ওই রাতেই বারুইপুর হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে থানায় গিয়ে অভিযোগ জানাই। পুলিশের তৎপরতায় স্কুটারটি ফেরত পেয়েছি।
পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা মল্লিকপুরের বাসিন্দা। তাদের বিরুদ্ধে ছিনতাই, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের মতো অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। ধৃতরা সকলেই ১৮-১৯ বছর বয়সি। তারা মূলত অপারেশনের জন্য বাইপাস বা ফাঁকা রাস্তা বেছে নিত। তাদের চক্রে আর কারা জড়িত, তা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার রাতে বারুইপুরের কাটাখাল পোলের কাছে এক মদ ব্যবসায়ী বাড়ি ফেরার সময় আক্রান্ত হন। তাঁর স্কুটার আটকে পিঠে চপার দিয়ে কোপানো হয় বলে অভিযোগ। তাঁর কাছে থাকা আড়াই লক্ষ টাকা ছিনতাই হয়েছে বলেও অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। এই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। এই ছিনতাইবাজদের সঙ্গে কাটাখালের ঘটনার যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ওই এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জোগাড়ের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। নিজস্ব চিত্র