Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মহেশতলার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে মিলল ফাইলেরিয়ার জীবাণু

ফের ফাইলেরিয়ার জীবাণুর সন্ধান মিলল মহেশতলা পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকজন রোগীর শরীরে। এই রোগ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে এবং সাধারণ মানুষকে এই রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে গণহারে ওষুধ খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

মহেশতলার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে মিলল ফাইলেরিয়ার জীবাণু
  • ১৮ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ফের ফাইলেরিয়ার জীবাণুর সন্ধান মিলল মহেশতলা পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকজন রোগীর শরীরে। এই রোগ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে এবং সাধারণ মানুষকে এই রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে গণহারে ওষুধ খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এই পদ্ধতিকে বলা হচ্ছে, মাস ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। এর আগে এই ওয়ার্ডে ২০১৯ সালে এক রোগীর শরীরে ফাইলেরিয়ার লক্ষণ দেখা গিয়েছিল। তখনও প্রত্যেক বাসিন্দাকে ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল।

Advertisement

ম্যালেরিয়া বা ডেঙ্গুর মতো ফাইলেরিয়াও একটি মশাবাহিত রোগ। এক্ষেত্রে দায়ী কিউলেক্স মশা। এর জেরে আক্রান্ত রোগীর পা ফুলে যায়। যাকে সহজ বাংলায় ‘গোদ’ বলা হয়। একবার গোদ হলে হাজারো চিকিৎসা করলেও পা আর আগের অবস্থায় ফেরে না। এক্ষেত্রে রোগী কখনও কখনও সারাজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন। এমনকী, সংক্রমণের আট থেকে দশ বছর বাদেও শরীরে এই উপসর্গ ফুটে উঠতে পারে। তাই এই রোগ ঠেকাতে প্রতিরোধ একমাত্র উপায়।
ঠিক হয়েছে, ২১ আগস্ট গণহারে ওষুধ খাওয়ানোর কর্মসূচির সূচনা হবে। তারপর ২২ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ট্যাবলেট হাতে বাড়ি বাড়ি যাবেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। তবে যাঁরা গর্ভবতী, শয্যাশায়ী বৃদ্ধ বা বৃদ্ধা ও দু’ বছরের কম বয়সি শিশুদের এই তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই ওয়ার্ডের ১৬ হাজার বাসিন্দাকে ফাইলেরিয়ার ওষুধ খাওয়ানো হবে বলে জানা গিয়েছে। তার জন্য বিভিন্ন স্তরে প্রচার এবং সচেতনতামূলক বার্তা দেবে স্বাস্থ্য বিভাগ।
এত বছর বাদে আবার কীভাবে ধরা পড়ল ফাইলেরিয়া? সূত্রের খবর, বেশ কয়েকজন রোগীর রক্তের রিপোর্টে মাইক্রোফাইলেরিয়ার জীবাণুর সন্ধান মেলে। এরপর কিছু মশা ধরে পরীক্ষা করে একই রিপোর্ট পাওয়া যায়। এর থেকেই স্বাস্থ্য অধিকারিকরা বুঝতে পারেন, এই অঞ্চলে ফাইলেরিয়ার সংক্রমণ ছড়ানোর প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। স্বাস্থ্য জেলার এক আধিকারিক বলেন, এখনই পদক্ষেপ করা দরকার। অন্যান্য ওয়ার্ডে এই জীবাণু ছড়িয়ে পড়লে তখন নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হতে পারে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ