


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফেডারেশনের ১৮ মাসে বছর। সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থাকে নিয়ে এমনটাই ধারণা ফুটবল মহলে। তবে ভাতঘুম দূরে সরিয়ে সুপার কাপ আয়োজনের ক্ষেত্রে এবার বেশ সক্রিয় ফেডারেশন। শুক্রবার ফেডারেশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল, সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন দল এএফসি’তে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। অর্থাৎ এসিএল টু’র বাছাই পর্বে খেলার সুযোগ পাবে খেতাবজয়ী দল। পাশাপাশি সরাসরি এসিএল খেলবে শীর্ষ লিগ চ্যাম্পিয়নরা। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই সম্প্রচারের বিষয়টি চূড়াম্ত করতে চায় ফেডারেশন। টুর্নামেন্টের ভেন্যু ও ফরম্যাট নিয়েও আলোচনা চলছে। আয়োজনের ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে গোয়া। খসড়া সূচিতে মোট ১৬ টি দলকে ৪টি গ্রুপে ভাগ করা হবে। মারগাওয়ের ফাতোরদা স্টেডিয়াম ছাড়াও তিলক ময়দানে ম্যাচ আয়োজন করতে চায় ফেডারেশন। এদিনই গোয়া ফুটবল সংস্থার সভাপতি কাইতানো ফার্নান্ডেজকে যাবতীয় পরিকল্পনা ই-মেল করে জানিয়েছে ফেডারেশন। বিনা ভাড়ায় চারটি প্র্যাকটিস মাঠ দেওয়ার অনুরোধ রয়েছে। পাশাপাশি ম্যাচ আয়োজনের ক্ষেত্রেও একই অনুরোধ করেছে তারা।
সুপার কাপ খেলবে কারা? ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের তা জানাতে বলা হয়েছিল। একমাত্র ওড়িশা এফসি বাদে বাকি সবাই প্রাথমিক সম্মতি জানিয়ে দিয়েছেন। দ্রুত অনুশীলনে নামার কথা চেন্নাইয়ান এফসি, বেঙ্গালুরু এফসি, জামশেদপুর এফসি’র মতো দলের। কোচ আওয়েন কোয়েলকে ইতিমধ্যেই ছেঁটে ফেলেছে চেন্নাইয়ান। সুপার কাপে তাদের দায়িত্ব সামলাবেন ক্লিফোর্ড মিরান্ডা। পাশাপাশি আই লিগের বাছাই করা কয়েকটি ক্লাবকেও আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। ক্যাসের নির্দেশে গত মরশুমে আই লিগের খেতাব জিতেছে ইন্টার কাশী। তারা সম্মতি জানিয়েছে। ডায়মন্ডহারবার এফসি’র সুপার কাপে খেলার সম্ভাবনা প্রবল।