নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: নার্সিংহোমে রোগী ভরতি বন্ধ। কর্ণধার ‘চিকিৎসক’ জুলফিকার আলি মণ্ডল বেপাত্তা। তাঁর দু’টি মোবাইল বন্ধ। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের তদন্তে ‘ভুয়ো চিকিৎসকদের’ তালিকায় নাম ওঠার পরেই বারাসত শহর লাগোয়া বামনগাছির একটি নার্সিংহোম থেকে উধাও হয়ে গিয়েছেন তিনি। অভিযোগ, ডাক্তারি পাশ না করেই বছরের পর বছর রোগী দেখেছেন জুলফিকার। শুধু চিকিৎসা নয়, চারতলা নার্সিংহোম খুলে রীতিমতো ব্যবসা চালানোর অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এত দিন সেই চিকিৎসা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। কিন্তু স্বাস্থ্যদপ্তরের তদন্ত শুরু হতেই ছবিটা বদলে গেল। এরপরেই শুরু হয়েছে চূড়ান্ত তৎপরতা। গত দু’দিন ধরে নার্সিংহোমে রোগী ভরতি পুরোপুরি বন্ধ। কর্মীরা রয়েছেন। কিন্তু নেই কর্ণধার। কোথায় জুলফিকার? উত্তর দিতে নারাজ নার্সিংহোমের কর্মীরাও। এক কর্মী শুধু বলেন, উনি কোথায় আছেন, জানি না। তবে রোগী ভরতি বন্ধ রয়েছে। আর এক কর্মী বললেন, উনি পরীক্ষা দিতে গিয়েছেন। এটাই আমাদের বলেছেন। কিন্তু কিসের পরীক্ষা আমরা জানি না। এখন নজর শুক্রবারের দিকে। রেজিস্ট্রেশন নম্বর-সহ প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে জুলফিকারকে স্বাস্থ্যদপ্তরে তলব করা হয়েছে। ফলে স্থানীয়দের প্রশ্ন, এতদিন কার ভরসায় চলছিল এই চিকিৎসা? আর যদি অভিযোগ সত্যি হয়, তাহলে রোগীদের সঙ্গে এত দিন কী ধরনের প্রতারণা হয়েছে? নিজস্ব চিত্র



