Bartaman Logo
৪ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেও সরাতে ব্যর্থ, প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব

নিজেদের দলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেও তাঁকে সরাতে ব্যর্থ হলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিজেপি নেতা বামদেব গুছাইতের অনুগামীরা।

পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেও সরাতে ব্যর্থ, প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব
  • ৪ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: নিজেদের দলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেও তাঁকে সরাতে ব্যর্থ হলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিজেপি নেতা বামদেব গুছাইতের অনুগামীরা। গত ৩ জুলাই শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের বল্লুক-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিজেপির পলি দিণ্ডা প্রামাণিকের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিলেন বিজেপির সাত সদস্য। তাঁরা প্রত্যেকে শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের বিজেপি নেতা তথা জেলা পরিষদের সভাধিপতি বামদেব ঘনিষ্ঠ।

Advertisement

সোমবার ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে আস্থা ভোট ছিল। তবে অনাস্থা আনা সাত সদস্যের মধ্যে অংশ নেন মাত্র চারজন। সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য আস্থা ভোটে শামিল না হওয়ায় পলিদেবী প্রধান পদে বহাল থাকেন। ভোটের পর বিজেপির সভাধিপতি বিরোধী গোষ্ঠী উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে। তাঁরা বামদেবের বিরুদ্ধে স্লোগানও দেন। তাঁকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। বামদেব শিবিরকে কোণঠাসা করার শপথ নেন বিজেপি নেতা বিপ্লব মেট্যা সহ অন্যান্যরা। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার তিন মাসের মধ্যে শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকে বিজেপির এই কাদা ছোড়াছুড়িতে নীচুতলায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
২০২৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটে ১৭ আসন বিশিষ্ট বল্লুক-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে কোনো দলই একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পায়নি। বিজেপির ছ’ জন, নির্দল সদস্য তিনজন, এসইউসির পাঁচজন, তৃণমূলের দু’জন এবং আইমা দলের একজন জয়ী হন। ত্রিশঙ্কু এই পঞ্চায়েতে নির্দলদের সমর্থন নিয়ে বোর্ড গড়ে বিজেপি। প্রধান হন পলিদেবী। ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির প্রায় সকল সদস্য সভাধিপতি বামদেব গুছাইত ঘনিষ্ঠ হলেও পঞ্চায়েত প্রধান উল্টো শিবিরের নেতা দিবাকর জানার অনুগামী হিসাবে পরিচিত। দিবাকর শহিদ মাতঙ্গিনী পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি। তৃণমূল সাসপেন্ড করার পর দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকে ভোটের মুখে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। এখন তিনিই বামদেব গুছাইতের বিরোধী গোষ্ঠীর মাথা হিসাবে পরিচিত।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ