Bartaman Logo
৩১ মে, ২০২৬

ভোট মিটে গেলেও রাজ্যে থাকবে অতিরিক্ত ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

ভোট মিটলেও সরবে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাই অতিরিক্ত ৫০ হাজার ৪০০ জন জওয়ান পাঠানো হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। ভোট পর্ব মিটে গণনা শেষে ফলাফল বেরিয়ে যাওয়ার পরেও কমপক্ষে ৫০০ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ান থাকবে রাজ্যে।

ভোট মিটে গেলেও রাজ্যে থাকবে অতিরিক্ত ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী
  • ৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:০৪

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ভোট মিটলেও সরবে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাই অতিরিক্ত ৫০ হাজার ৪০০ জন জওয়ান পাঠানো হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। ভোট পর্ব মিটে গণনা শেষে ফলাফল বেরিয়ে যাওয়ার পরেও কমপক্ষে ৫০০ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ান থাকবে রাজ্যে। শুক্রবার জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। কতদিন তাদের পাহারার দায়িত্বে রাখা হবে, তা অবশ্য এদিন স্পষ্ট করা হয়নি। বলা হয়েছে, পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি না বেরনো পর্যন্ত ওই ৫০০ কোম্পানিই থাকবে বাংলায়। বাকি, ২০০ কোম্পানি পাহারা দেবে ইভিএম। ভোটের পর ইভিএম রাখার স্ট্রংরুমও পাহারার দায়িত্বে ওই কোম্পানি। অর্থাৎ মোট অতিরিক্ত ৭০০ কোম্পানি। 

Advertisement

সাধারণত ভোট পর্ব মিটে গেলেই ধীরে ধীরে রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরিয়ে নেওয়া হয়। গণনা শেষে ফলাফল প্রকাশের কয়েকদিনের মধ্যেই শেষ হয় মডেল কোড অব কনডাক্ট বা আদর্শ নির্বাচন বিধি। তাহলে কেন বাংলায় ফল প্রকাশের পর থাকবে বাহিনী? জানতে চাওয়ায় কমিশনের এক কর্তা জানান, প্রথমত, ২০২১ সালের বিধানসভার ভোট পরবর্তী সংঘর্ষের অভিজ্ঞতা। যা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে এখনো চলছে মামলা। তার ওপর সদ্য মালদহের কালিয়াচকে ঘটে যাওয়া ঘটনা। তাই আর কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। 
সেই মতো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছ থেকে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে রেখেছে কমিশন। এক একটি কোম্পানিতে গড়ে ৭২ জন করে জওয়ান থাকে। পশ্চিমবঙ্গে এক একটি পর্বে ভোটের জন্য দু হাজার কোম্পানি আধাসেনা চান রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনি আধিকারিক। সেই মতো জাতীয় নির্বাচন কমিশনও উদ্যোগ নিচ্ছে। কমিশনের লক্ষ্য একটাই, অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। 
অন্যদিকে, ভোটের আগে থেকে তৃণমূল নেতানেত্রীর পাশাপাশি সমর্থকদের একাংশকে কেন নিরাপত্তার নামে পুলিশ পাহারা দেওয়া হয়েছে? কীসের ভিত্তিতে ওই নিরাপত্তা, তা রাজ্য পুলিশের ডিজিকে তিনদিনের মধ্যে রিভিউ করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

সম্পর্কিত সংবাদ