Bartaman Logo
২৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাজ্যে সরকার বদলের পরেও বারাসতের বাসস্ট্যান্ড-বাসস্টপে নেই যাত্রী প্রতীক্ষালয়

সরকার বদলেছে। আশায় বুক বেঁধেছিলেন মানুষ। কিন্তু বারাসতের বেশিরভাগ বাসস্ট্যান্ড বা স্টপে দাঁড়ালে বোঝা যাচ্ছে, আশার সঙ্গে বাস্তবের ফারাক স্পষ্ট।

রাজ্যে সরকার বদলের পরেও বারাসতের বাসস্ট্যান্ড-বাসস্টপে নেই যাত্রী প্রতীক্ষালয়
  • ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: সরকার বদলেছে। আশায় বুক বেঁধেছিলেন মানুষ। কিন্তু বারাসতের বেশিরভাগ বাসস্ট্যান্ড বা স্টপে দাঁড়ালে বোঝা যাচ্ছে, আশার সঙ্গে বাস্তবের ফারাক স্পষ্ট। নেই বসার জায়গা। বৃষ্টি এলে দোকানের ছাউনির নীচে আশ্রয় নিতে হচ্ছে। এটাই এখন চেনা ছবি বারাসতে। নতুন সরকারের আমলেও শহরের বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী প্রতীক্ষালয়ের অভাব ঘোচেনি। শুধু তাই নয়, কষ্ট ঘোচানোর কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে বলেই দাবি স্থানীয়দের। 

Advertisement

স্থানীয়দের কথায়, প্রতীক্ষালয় তৈরি বা প্রয়োজনীয় জায়গা দখলমুক্ত করার উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। প্রতিদিন বনগাঁ, বসিরহাট, কলকাতা সহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু মানুষ শহরে আসেন। সকাল হলেই চাঁপাডালি মোড়, কলোনি মোড়, হেলাবটতলা, ডাকবাংলো মোড়, হৃদয়পুর, শেঠপুকুরে বাসের জন্য অপেক্ষারত মানুষের ভিড় শুরু হয়। কিন্তু সামান্য ছাউনিটুকুও নেই কোথাও।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে প্রতীক্ষালয় করার মতো যে পরিসর রয়েছে, তার অনেকটাই দখল হয়ে গিয়েছে। কোথাও দোকানপাট, কোথাও নানাভাবে জায়গার ব্যবহার। ফলে যাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করার উদ্যোগও দেখা যাচ্ছে না। শিক্ষিকা স্মিতা ভট্টাচার্য বলেন, প্রশাসনের ইচ্ছা থাকলে ছোটো ছোটো যাত্রী প্রতীক্ষালয় তৈরি হতেই পারে। ফুটপাত দখলমুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। তা হলে যাত্রীদের জন্য জায়গা বার করা হচ্ছে না কেন? ডাকবাংলো মোড়ের সমস্যাও কম নয়। 
১২ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর এই স্টপটি গুরুত্বপূর্ণ। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগের অন্যতম ব্যস্ত এই রাস্তায় প্রতিদিন প্রচুর বাস চলাচল করে। যাত্রীর সংখ্যাও কম নয়। অথচ তাঁদের মাথা গোঁজার জন্য নেই একটি প্রতীক্ষালয়ও। হেলাবটলায় অবশ্য প্রতীক্ষালয় রয়েছে। কিন্তু সেটির অবস্থা বেহাল। ফলে বৃষ্টি-রোদ থেকে বাঁচতে যাত্রীরা সেখানেও স্বস্তি পান না।
 শেঠপুকুর এলাকার বাসিন্দা শ্যামল চক্রবর্তীর বক্তব্য, তৃণমূল আমলেও সমস্যাটি ছিল। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর আশা ছিল নাগরিকদের ভোগান্তির অবসান হবে। সরকারের তিনমাস পেরিয়ে গেলেও ছোটো প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। এ বিষয়ে বারাসতের বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায়কে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন না ধরায় প্রতিক্রিয়া মেলেনি।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ