নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আগামী বছর উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত সহ সাতটি রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচন। ২০২৯ সালে ততোধিক গুরুত্বপূর্ণ লোকসভা ভোট। এমন প্রেক্ষাপটে এবার কর্মী পিএফের (ইপিএফ) সদস্য সংখ্যা আরও বৃদ্ধির ব্যাপারে উদ্যোগ নিচ্ছে মোদি সরকার। কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির ইস্যুকে হাতিয়ার করেই ভোটযুদ্ধে নামতে মরিয়া বিজেপি। এই প্রেক্ষিতে শনিবার শ্রমমন্ত্রকের পক্ষ থেকে দেশের বেসরকারি সংস্থা-প্রতিষ্ঠানগুলির উদ্দেশে বলা হয়েছে, ইপিএফ পরিষেবার বাইরে থেকে যাওয়া ‘যোগ্য’ কর্মীদের দ্রুত এই সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যেই শেষ করতে হবে এসংক্রান্ত প্রক্রিয়া। এই মুহূর্তে উল্লিখিত লক্ষ্যে ‘এমপ্লয়িজ এনরোলমেন্ট ক্যাম্পেন’ (ইইসি) চালাচ্ছে শ্রমমন্ত্রকের অধীনস্ত কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংগঠন (ইপিএফও)। চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত যে সমস্ত কর্মচারী ইপিএফের আওতায় আসার যোগ্য হয়েও বাইরে থেকে গিয়েছেন, তাঁদের এই পরিষেবার আওতাভুক্ত করার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছে কেন্দ্র। এক্ষেত্রে ২০০৯ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে যাঁরা ইপিএফ পরিষেবার বাইরে রয়ে গিয়েছেন, তাঁদেরই এই সুবিধা মিলবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃপক্ষের জন্য কিছু সুযোগ-সুবিধার কথাও ঘোষণা করেছে শ্রমমন্ত্রক। সেইমতোই জোর দিতে বলা হয়েছে কর্মসূচিতে।



