সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: নর্থবেঙ্গল অ্যানিমেল পার্ক বা বেঙ্গল সাফারির মুকুটে নতুন পালক যুক্ত হতে চলেছে। সবকিছু ঠিকঠাক চললে এ মাসেই শুরু হবে লায়ন সাফারি। সাফারি পার্ক সূত্রে জানা গিয়েছে, লায়ন সাফারির এনক্লোজারের কাজ প্রায় শেষ। এখন এনক্লোজারে সিংহদের জন্য জলাধার বানানো হচ্ছে।
Advertisement
একবছর আগেই বেঙ্গল সাফারিতে একজোড়া সিংহ এসেছে। তারপর থেকে লায়ন সাফারির প্রতীক্ষা শুরু ভিজিটরদের। বেঙ্গল সাফারির ডিরেক্টর বিজয় কুমার বলেন, এনক্লোজারের কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সঙ্গে চলছে। তাতে আশা করা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই এখানে লায়ন সাফারি শুরু হবে।
দেশ বিদেশের পর্যটকদের মধ্য জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় রাজ্য সরকার শিলিগুড়ির এই অ্যানিমেল পার্ককে চিড়িয়াখানার রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেয়। সেই মতো রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার সহ নানা ধরনের জীবজন্তু এখানে আনা হয়েছে। আর তা দেখতে বেঙ্গল সাফারিতে প্রতিদিনই ভিজিটরদের ভিড় হয়। বছরের বিশেষ দিনগুলিতে বিপুল আয় হচ্ছে। ১ জানুয়ারি এখনও পর্যন্ত একদিনে এ বছরের সর্বোচ্চ প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা আয় হয়েছে বলে পার্ক সূত্রে জানা গিয়েছে। লায়ন সাফারি শুরু হলে এর পরিমাণ আরও বাড়বে বলে সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষের আশা।
গত বছর ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরার বিশালগড়ের সিপাহিজালা জুওলজিকাল পার্ক থেকে বেঙ্গল সাফারিতে নিয়ে আসা হয়েছিল সিংহ দম্পতিকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিংহ দম্পতির নামকরণ করেন সুরজ ও তনয়া। বন্যপ্রাণী বিনিময় কর্মসূচিতে বেঙ্গল সাফারিতে ত্রিপুরা থেকে একজোড়া সিংহ আনার অনুমোদন দেয় সেন্ট্রাল জু অথরিটি। তার ভিত্তিতে এই সিংহ দম্পতিকে বেঙ্গল সাফারিতে আনা হয়েছিল।
দেশ বিদেশের পর্যটকদের মধ্য জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় রাজ্য সরকার শিলিগুড়ির এই অ্যানিমেল পার্ককে চিড়িয়াখানার রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেয়। সেই মতো রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার সহ নানা ধরনের জীবজন্তু এখানে আনা হয়েছে। আর তা দেখতে বেঙ্গল সাফারিতে প্রতিদিনই ভিজিটরদের ভিড় হয়। বছরের বিশেষ দিনগুলিতে বিপুল আয় হচ্ছে। ১ জানুয়ারি এখনও পর্যন্ত একদিনে এ বছরের সর্বোচ্চ প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা আয় হয়েছে বলে পার্ক সূত্রে জানা গিয়েছে। লায়ন সাফারি শুরু হলে এর পরিমাণ আরও বাড়বে বলে সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষের আশা।
গত বছর ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরার বিশালগড়ের সিপাহিজালা জুওলজিকাল পার্ক থেকে বেঙ্গল সাফারিতে নিয়ে আসা হয়েছিল সিংহ দম্পতিকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিংহ দম্পতির নামকরণ করেন সুরজ ও তনয়া। বন্যপ্রাণী বিনিময় কর্মসূচিতে বেঙ্গল সাফারিতে ত্রিপুরা থেকে একজোড়া সিংহ আনার অনুমোদন দেয় সেন্ট্রাল জু অথরিটি। তার ভিত্তিতে এই সিংহ দম্পতিকে বেঙ্গল সাফারিতে আনা হয়েছিল।



