নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: আইনের ডিগ্রি পাশ করে এখন সে সবে আদালতের জুনিয়র উকিল। হাতে তেমন ‘কেস’ আসে না। ফলে আয়ও অত্যন্ত নগণ্য। অথচ গাঁজা এক জায়গা থেকে অন্যত্র পৌঁছে দিলেই মিলবে এক লক্ষ টাকা! লোভনীয় এই ‘অফার’ পেয়েই বেআইনি মাদক পাচারে রাজি হয়েছিল ধৃত ‘উকিলবাবু’ বিনোদ থমাস। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিসের কাছে এমন দাবিই করেছে সে। যদিও কারা এই মাদক পাচার করছিল এবং এই পাচার চক্রের জাল দেশের কোন কোন জায়গায় ছড়িয়ে রয়েছে তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।
Advertisement
রীতিমতো উচ্চশিক্ষিত পরিবারের ছেলে বিনোদ। বাবা পেশায় চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। নিজেও ওকালতির ডিগ্রি নিয়ে পাশ করেছে। তামিলনাড়ুর মাদ্রাজ হাইকোর্টে বিনোদ পেশাদার জীবন শুরু করেছিল। কিন্তু বাবার সঙ্গে সম্পর্কে তাল কাটে। পারিবারিক উত্থানপতনের মধ্যেই একমাত্র সমাধান হতে পারত বিনোদের আর্থিক স্বচ্ছলতা। কিন্তু জুনিয়র উকিল হিসেবে বর্তমানে তার আয় নেহাতই নগণ্য। তাই আচমকা এরকম ‘অফার’ পেয়েই আর নিজেকে সামলাতে পারেনি সে। যদিও এমন কাজ জীবনে এই প্রথমবার করতে গিয়েছিল বলেই সে জানিয়েছে তদন্তকারীদের।
পুলিস সূত্রের খবর, চেন্নাই থেকে বাগডোগরা এয়ারপোর্ট পর্যন্ত আকাশপথেই এসেছিল বিনোদ। কোচবিহার স্টেশনের আশপাশ থেকে গাঁজা এবং তা হাওড়া স্টেশন পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি গাড়ি পায় সে। কারা তাকে এই সমস্ত ব্যবস্থা করে দিল তা এখনও পুলিসের কাছে পুরোপুরি স্পষ্ট করে বলেনি ধৃত। এরপর নিজেই গাড়ি চালিয়ে ১২নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল হাওড়ার দিকে। কিন্তু রানাঘাট ঢোকার কিছুটা আগে থেকেই পুলিস ধাওয়া করছে বলে সে বুঝতে পারে। পুলিসের হাত থেকে বাঁচতে আচমকা গাড়ি সহ রানাঘাট শহরের কোর্টপাড়া লাগোয়া চূর্ণি নদীর পাড়ের একটি মাঠে ঢুকে পড়ে। যদিও স্থানীয়দের প্রশ্নের উত্তরে সে জানায়, গাড়িটি একজন পুলিসের। কিন্তু স্থানীয়দের উৎসাহ দেখে ফের সেখান থেকে গাড়ি বের করে জাতীয় সড়ক দিয়ে চম্পট দেওয়ার সময় ‘উকিলবাবু’ ধরা পড়ে যায়। কথা ছিল, হাওড়া স্টেশনে নির্দিষ্ট লোকের কাছে গাড়ি ছেড়ে দিয়ে ট্রেনে করে গাঁজা চেন্নাই নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। আসল ‘ডেলিভারি পয়েন্ট’ রয়েছে সেখানেই। আর এই কাজে পারিশ্রমিক এক লক্ষ টাকা। গাঁজা পাচারের তথ্যতালাশে তদন্তকারীরা মরিয়া চেষ্টা চালালেও বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের এখনও সন্তোষজনক উত্তর দেয়নি ধৃত। আপাতত রানাঘাট মহকুমা আদালত থেকে ধৃতকে দু’দিন হেফাজতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। জিজ্ঞাসাবাদ করে গাঁজা পাচারের আরও বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। সোমবার ধৃতকে কৃষ্ণনগরের নির্দিষ্ট এনডিপিএস আদালতে তোলা হবে।
পুলিস সূত্রের খবর, চেন্নাই থেকে বাগডোগরা এয়ারপোর্ট পর্যন্ত আকাশপথেই এসেছিল বিনোদ। কোচবিহার স্টেশনের আশপাশ থেকে গাঁজা এবং তা হাওড়া স্টেশন পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি গাড়ি পায় সে। কারা তাকে এই সমস্ত ব্যবস্থা করে দিল তা এখনও পুলিসের কাছে পুরোপুরি স্পষ্ট করে বলেনি ধৃত। এরপর নিজেই গাড়ি চালিয়ে ১২নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল হাওড়ার দিকে। কিন্তু রানাঘাট ঢোকার কিছুটা আগে থেকেই পুলিস ধাওয়া করছে বলে সে বুঝতে পারে। পুলিসের হাত থেকে বাঁচতে আচমকা গাড়ি সহ রানাঘাট শহরের কোর্টপাড়া লাগোয়া চূর্ণি নদীর পাড়ের একটি মাঠে ঢুকে পড়ে। যদিও স্থানীয়দের প্রশ্নের উত্তরে সে জানায়, গাড়িটি একজন পুলিসের। কিন্তু স্থানীয়দের উৎসাহ দেখে ফের সেখান থেকে গাড়ি বের করে জাতীয় সড়ক দিয়ে চম্পট দেওয়ার সময় ‘উকিলবাবু’ ধরা পড়ে যায়। কথা ছিল, হাওড়া স্টেশনে নির্দিষ্ট লোকের কাছে গাড়ি ছেড়ে দিয়ে ট্রেনে করে গাঁজা চেন্নাই নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। আসল ‘ডেলিভারি পয়েন্ট’ রয়েছে সেখানেই। আর এই কাজে পারিশ্রমিক এক লক্ষ টাকা। গাঁজা পাচারের তথ্যতালাশে তদন্তকারীরা মরিয়া চেষ্টা চালালেও বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের এখনও সন্তোষজনক উত্তর দেয়নি ধৃত। আপাতত রানাঘাট মহকুমা আদালত থেকে ধৃতকে দু’দিন হেফাজতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। জিজ্ঞাসাবাদ করে গাঁজা পাচারের আরও বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। সোমবার ধৃতকে কৃষ্ণনগরের নির্দিষ্ট এনডিপিএস আদালতে তোলা হবে।



