Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এখনও রাস্তা দখল করে কালীপুজোর মণ্ডপ আর তোরণ, অসন্তুষ্ট বাসিন্দারা

এখনও রাস্তা দখল করে কালীপুজোর মণ্ডপ আর তোরণ, অসন্তুষ্ট বাসিন্দারা
  • ৭ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: কালীপুজোর পর সাতদিন কেটে গিয়েছে। বিসর্জনও হয়ে গিয়েছে গত রবিবার। তারপরও বারাসতের অসংখ্য জায়গায় রাস্তাজুড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে মণ্ডপ, বিজ্ঞাপনী হোর্ডিং, তোরণ, মঞ্চ। সেগুলি খোলার নামগন্ধ করছেন না পুজোর উদ্যোক্তারা। ফলে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। কবে এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবেন তাঁরা, তার অপেক্ষায় দিন গুনছেন শহরের মানুষ।
Advertisement
বারাসত ও মধ্যমগ্রামে কালীপুজোর খ্যাতি গোটা রাজ্যে। উত্তর ২৪ পরগনার পাশাপাশি আশপাশের জেলা থেকে বহু মানুষ কালী ঠাকুর দেখতে ভিড় জমান এই দুই শহরে। ওই তিনদিন বারাসত ও মধ্যমগ্রামের রাস্তা বিকেল থেকেই চলে যায় মানুষের দখলে। এবারও সেই চেনা ছবিটা ধরা পড়ছে এই জনপদে। তবে পুলিস রবিবার রাতে তৎপরতার সঙ্গে সমস্ত প্যান্ডেল বন্ধ করে দেয়। মানুষের স্বার্থেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। তারপরও চারদিন কেটে গিয়েছে। এখনও বারাসত ও মধ্যমগ্রাম শহরে পড়ে রয়েছে বড় বড় বিজ্ঞাপনের বোর্ড ও আলোর তোরণ। যশোর রোড, টাকি রোড কিংবা ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে একই পরিস্থিতি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ওয়ার্ডের রাস্তাতেও এখনও গেট রয়ে গিয়েছে। সড়কের দু’ধারে ফুটপাতের উপর বাঁশ খাটিয়ে বিজ্ঞাপনের বোর্ড লাগানো হয়েছিল। সেগুলিও খোলা হয়নি। তাই ফুটপাত ব্যবহার করতে না পেরে রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করছেন মানুষ। ফলে যে কোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ।
বারাসত শহরে যানজট নতুন কিছু নয়। কিন্তু তার উপর কৃত্রিমভাবে যানজট তৈরি করা হচ্ছে শহরে। স্থানীয় বাসিন্দা মানিক মুখোপাধ্যায় বলেন, পুজো অনেকদিন আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে। তারপরেও কেন রাস্তা দখল করে রাখা হচ্ছে, বুঝতে পারছি না। পুলিস বা প্রশাসনের নজরদারির অভাবই এর জন্য দায়ী। মানিকবাবুর কথায়, রবি ঠাকুরের ছোটগল্পের মতো যেন শেষ হয়েও কালীপুজো শেষ হচ্ছে না বারাসতে। এ নিয়ে বারাসত শহরের এক পুজো কমিটির সদস্য রূপায়ণ ভট্টাচার্য বলেন, আমাদের সিংহভাগ জিনিসপত্র মূল সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ডেকরেটর সংস্থা শ্রমিকের অভাবে মণ্ডপ খুলতে দেরি করছে। এখনও যে সব গেট খোলা হয়নি, সেগুলি দ্রুত খুলে ফেলা হবে। বারাসতের এসডিপিও আজিঙ্কে বিদ্যাগর অনন্ত বলেন, প্রতিটি পুজো কমিটিকে বলা হবে দ্রুত রাস্তা থেকে সমস্ত কিছু সরিয়ে নিতে।
সম্পর্কিত সংবাদ