Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এখনও কালীতলা আশুতি থানার সঙ্গে জুড়ল না রসপুঞ্জ, ক্ষোভ বাসিন্দাদের

এখনও কালীতলা আশুতি থানার সঙ্গে জুড়ল না রসপুঞ্জ, ক্ষোভ বাসিন্দাদের
  • ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, বজবজ: বিষ্ণুপুর থানার বদলে রসপুঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতকে কালীতলা আশুতি থানার সঙ্গে যুক্ত করার দাবি উঠেছে। মূল কারণ দূরত্ব। এর আগে মহেশতলা থানা থেকে পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে অসুবিধা হচ্ছিল ঠাকুরপুকুর মহেশতলা ব্লকের তিনটি, যথাক্রমে আশুতি ১, আশুতি ২, এবং চট্টা গ্রাম পঞ্চায়েতের। এই তিনটি পঞ্চায়েতকে তাই আগেই নতুন কালীতলা আশুতি থানার আওতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওই ব্লকেরই বাকি একটি গ্রাম পঞ্চায়েত হল রসপুঞ্জ। কিন্ত কোনও এক অজানা কারণে এই পঞ্চায়েতটিকে নতুন ওই থানার সঙ্গে যুক্ত করা হয়নি। সেটি বিষ্ণুপুর থানার অধীনেই থেকে গিয়েছে।
Advertisement
মহেশতলার থানা থেকে আশুতি ১, আশুতি ২ এবং চট্টা পঞ্চায়েতের দূরত্বের কারণে এই এলাকার বাসিন্দারা নতুন থানা চেয়েছিলেন। সেই দাবি মেনেই কালীতলা আশুতি থানা তৈরি হয়। কিন্তু সেই দূরত্বের কারণেই বিষ্ণুপুর থানা থেকে ঠিক মতো পরিষেবা পাচ্ছে না রসপুঞ্জ। প্রতিনিয়ত আইনশৃঙ্খলার সমস্যায় নাজেহাল হতে হচ্ছে সেখানকার বাসিন্দাদের। তাই রসপুঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুষ চাইছেন, তাঁদেরও কালীতলা আশুতি থানার আওতাধীন করা হোক। এ নিয়ে প্রশাসনিক মহলে চিঠিও দিয়েছেন বাসিন্দারা।
ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের বনগ্রামের বাসিন্দা অমিত মণ্ডল বলেন, এখানকার বাখরাহাট রোড বেআইনিভাবে দখল করে দশ, বারো চাকার ট্রেলার রাখা হয়। এজন্য প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। কিন্ত কোনও পুলিসি নজরদারি নেই। মাঝেমাঝে অটোচালকদের মধ্যে গোলমাল, মারধর হয়। এছাড়া জমি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যের শেষ নেই। এর আগে খুনোখুনিও হয়েছে। কিন্তু বিষ্ণুপুর থানা এতটাই দূরে যে, সেখান থেকে পুলিস সঠিক সময়ে এসে পৌঁছতে পারে না। অনেক গাড়ি পাল্টে থানায় গেলেও কাজ হয় না। কিন্তু কালীতলা আশুতি থানা খালপাড়ের ছোট কাছারি মন্দিরের কাছেই। রসপুঞ্জ থেকে তার দূরত্ব মেরেকেটে আড়াই কিলোমিটার। তাই সকলেরই সুবিধা হবে। 
ঠাকুরপুকুর মহেশতলা পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি বিপ্লব মণ্ডল এই সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন, এটা নিয়ে অনেকদিন ধরে আলোচনা চলছে। সেই অনুসারে ব্লক থেকে জেলাশাসকের হাত দিয়ে স্বরাষ্ট্র দপ্তরে বিষয়টি প্রস্তাব আকারে পাঠানো হয়েছে। পরিবহণ দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী দিলীপ মণ্ডলকেও বলা হয়েছে। তিনিও দরবার করেছেন। খবর মিলেছে যে, বিষয়টি ক্যাবিনেটের অনুমোদনের জন্য যাবে। সেই উদ্যোগ চলছে। এরপর নোটিফিকেশন হতে যতক্ষণ সময় লাগবে।
সম্পর্কিত সংবাদ