Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

একদিনেই বক্তব্য পেশ করলেন ২৪ বিধায়ক, নয়া নজির বিধানসভায়

একদিনেই বক্তব্য পেশ করলেন ২৪ বিধায়ক, নয়া নজির বিধানসভায়
  • ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দু’টি কারণে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে রইল সোমবারের বিধানসভার অধিবেশন। ইদানীং সময়কালের মধ্যে একদিনে শাসক-বিরোধী মিলিয়ে ২৪ জন বিধায়ক বক্তব্য রেখে নজির সৃষ্টি করলেন। রাজ্যপালের ভাষণকে উদ্ধৃত করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়নের কর্মকাণ্ড তুলে ধরলেন তৃণমূল বিধায়করা। পাল্টা রাজ্য সরকারের নিন্দায় সরব হল বিজেপি পরিষদীয় দল। এই আবহে শাসক ও বিরোধী সদস্যদের তথ্যের লড়াইয়ে সরগরম হল বিধানসভার অধিবেশন। তবে নতুন রূপে দেখা গেল তৃণমূলের পরিষদীয় দলকে। একঝাঁক তৃণমূলের নতুন বিধায়ক বক্তব্য রাখলেন। তাঁদের যোগ্য সঙ্গত দিলেন শাসক দলের প্রবীণরা।
Advertisement
গত বছর বিধানসভার অধিবেশনে ‘নীরব’ ছিলেন তৃণমূলের শতাধিক বিধায়ক। কিন্তু এবার নতুনদের সামনের সারিতে নিয়ে এল তৃণমূলের পরিষদীয় দল। রাজ্যপালের ভাষণ নিয়ে সোমবার বিধানসভার অধিবেশনে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আলোচনা হয়েছে। তাতে ৯ জন তৃণমূল বিধায়কের প্রথমবারের বক্তব্য সকলের নজরে কেড়েছে। তৃণমূল বিধায়ক সনৎ দে, সুজয় হাজরা, ফাল্গুনী সিংহবাবু, মধুপর্ণা ঠাকুর, করবী মান্না, অরিন্দম গুঁইন, মুকুটমণি অধিকারী, রবিউল ইসলাম, সঙ্গীতা রায় তাঁদের বক্তব্যে তুলে ধরেন বাংলার উন্নয়নের কথা। তাঁদের বক্তব্য শুনে হাততালি দেন বর্ষীয়ান বিধায়করা। 
সেই সুরেই বিধানসভায় বক্তব্য রাখেন শাসক দলের প্রবীণরা। তৃণমূল বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল বলেন, রাজ্যপাল তাঁর ভাষণে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ছিল বলে জানিয়েছেন। এরাজ্যে সব ধর্মের অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয়েছে। কিন্তু ধর্মীয় বিভাজন ঘটিয়ে শান্তির পরিবেশকে বিনষ্ট করতে চাইছে বিজেপি। তৃণমূল বিধায়ক সুকান্ত পাল বলেন, বাল্যবিবাহ রোধ, নারী শিক্ষা, উন্নয়ন, মহিলাদের স্বনির্ভর করে তুলে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী প্রয়াস করেছে রাজ্য সরকার। বাংলাকে বিশ্বের দরবারে যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে নিয়ে চলেছেন, তা তথ্য দিয়ে জানান তৃণমূল বিধায়ক মহম্মদ আলি। তিনি এটাও উল্লেখ করেন, বিরোধীদের বক্তব্য রাখার ক্ষেত্রে যোগ্য সম্মান দেওয়া হয়। গোটা পর্বের অর্ধেক সময় বরাদ্দ থাকে বিরোধীদের জন্য। যদিও বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি দাবি করেন, প্রশাসনিক বৈঠকে বিজেপির জনপ্রতিনিধিদের ডাকা হয় না। 
তবে এদিনের অধিবেশনে বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় হিন্দু ধর্মের প্রসঙ্গ টেনে আনলে পরিস্থিতি তপ্ত হয়ে ওঠে। তার বিরোধিতা করে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, সমাজে সকলের উন্নয়ন করা হবে বলেই বিধায়করা শপথ নেন। সেখানে হিন্দু ধর্মের প্রসঙ্গ টেনে এনে এভাবে বিভাজন রেখা টানা যায় না। এদিন যথোপযুক্ত বক্তব্য রেখেছেন তৃণমূলের রফিকুর রহমান, বিক্রম প্রধান প্রমুখ।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ